পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের(Kaushik Ganguly) জীবনে নেমে এলো সবথেকে বড় শোক। মাতৃহারা হলেন তিনি। দীর্ঘ বেশ কয়েকদিন ধরেই পরিচালকের(director) মা অসুস্থ ছিলেন, চিকিৎসার আওতাধীন ছিলেন তিনি। আজ পরিচালকের জীবনে সেই দুঃসংবাদ নেমে এলো। তবে এত বড় শোকের (mourning) মধ্যেও শেষকৃত্য করে আর জি কর কান্ডের (Rg kar) তিলোত্তমার জন্য মিছিলে যোগ দিলেন তিনি।
বেশ কয়েক দিন ধরেই তার মায়ের শরীর খারাপ ছিল আর যে কারণে বেশ চিন্তায় ছিলেন তিনি। অনেক চেষ্টা করেও শেষমেষ মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো তাকে। শনিবারে এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘মা মৃত্যুশয্যায় লড়াই করছেন। এখন তখন অবস্থা। কী হবে বলতে পারছি না। খুবই চিন্তিত।” আর তার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই শোকের খবর মূহ্যমান করে তুললো পরিচালককে।
মায়ের মৃত্যু শোক তাকে ভারাক্রান্ত করে তুললেও মানুষ হিসেবে নিজের কর্তব্যকর্ম পালন করতে বিরত হলেন না তিনি। আজ রবিবার আর জি কর কাণ্ডে তিলোত্তমার ভয়ংকর পরিণতির বিচারের জন্য ও মেয়েদের নিরাপত্তার দাবিতে টলিপাড়া মিছিল ডেকেছিলো শিল্পীদের নিয়ে। মায়ের শেষকৃত্য সেরে তিলোত্তমার জন্য সেই মিছিলে যোগ দিলেন তিনি। আর জি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে আজকে বিকেলে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে জমায়েত হওয়ার কথা ছিলো।
সেই অনুযায়ী টলি পড়ার বেশিরভাগ সদস্যরাই উপস্থিত ছিলেন সেখানে। টলিউডের প্রতিবাদের সেই মিছিলে কৌশিক গাঙ্গুলী ও তার পরিবারকে যেমন দেখা গিয়েছিলো তেমনি টলি পাড়ার শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, ঐন্দ্রিলা সেন থেকে জিতু কামাল, পরমব্রত চ্যাটার্জী থেকে বিশ্বনাথ বসুর মতো বিশিষ্টজনেরা হাজির হয়েছিলেন এই দিন।
আরও পড়ুন: জব্দ হবে কূটনী শালিনী! ভালোবেসে ফুলকিকে জড়িয়ে ধরল রোহিত!
তবে নিজের ব্যক্তিগত শোককে সামলে উঠে কৌশিক গাঙ্গুলী ও তার স্ত্রী যেভাবে নারী স্বাধীনতার ও নিরাপত্তার কথা বলে সোচ্চার হন তাতে প্রমাণ হয় যে এই লড়াই কারোর একার নয়। রাজ্যের নারী নিরাপত্তার এই লড়াই প্রত্যেকের। আর সব কিছুকে ছাপিয়ে সবার কাছে এই লড়াই সমান গুরুত্বপূর্ন। এটিকে কোনো ওজিহাতেই এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
