Tollywood

রোজগারের টাকা দিয়ে এসব কী করেন মিঠাইরাণী? নিজের মুখে খোলসা করলেন অভিনেত্রী সৌমীতৃষা

টেলিভিশনে গোটা ৭ বছরের কেরিয়ার। কিন্তু লাইমলাইটে আসা জি বাংলার (Zee Bangla) সর্বাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’-এর (Mithai) হাত ধরে। এই ধারাবাহিক কার্যত তাঁকে আকাশ ছোঁয়া খ্যাতি এসে দেয়। গোটা বাংলার ঘরের মেয়ে হয়ে ওঠার পাশাপাশি জাতীয় স্তরেও স্বীকৃতি পেয়েছিলেন সৌমীতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundoo) ওরফে মিঠাইরাণী।

সম্প্রতি টলিউডের (Tollywood) মহানায়ক দেবের (Dev) নায়িকা হিসেবে সিনে দুনিয়ায় হাতেখড়ি দিয়েছেন সৌমীতৃষা। সদ্য প্রকাশ পেয়েছে তার ও দেবের অভিনীত ছবি ‘প্রধান’ (Pradhan)। বড়দিনের মরশুমে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রধান’ বেশ রমরমিয়ে চলেছে প্রেক্ষাগৃহে। শোনা যাচ্ছে, দেবের পরবর্তী ছবি ‘খাদান’-এও (Khadan) সৌমীতৃষার দেখা মিলবে। সব মিলিয়ে নায়িকার কেরিয়ার গ্রাফ এক কথায় ঊর্ধ্বমুখী।

soumitrisha kundoo

কেরিয়ার ছাড়াও, নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারংবার সংবাদের শিরোনামে উঠেছে এসেছে অভিনেত্রীর নাম। সংবাদমাধ্যমকে ‘প্রেম করছি না’ সাফ জানিয়ে দিলেও, তাঁর নাম জড়িয়েছে সহঅভিনেতা আদৃতের সঙ্গে। যদিও বরাবরই একে অপরকে ‘ভাল বন্ধু’ বলে দাবি করে এসেছেন তাঁরা। তবে একবার প্রকাশ্যে এসেছিল দুজনের নাকি মুখ দেখাদেখি নেই। মিঠাইয়ের সেটে এই পরিস্থিতিতেই শুটিং চলেছে।

সম্প্রতি অভিনেত্রীর নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী তিয়াশা লেপচার প্রেমিকের সঙ্গেও। জে খবর প্রকাশ্যে আসতে দেখে বিরক্ত সৌমীতৃষা। নায়িকার মতে, “আমি এমনিতেই পার্টিতে যেতে পছন্দ করিনা। সম্পর্ক ভাল রাখায় খাতিরে যদিও বা যাই, তখনই এসব।” অর্থাৎ, গসিপ শুনে নারাজ অভিনেত্রী। তিনি এই মুহূর্তে কোনো সম্পর্কে নেই খোলসা করলেন সৌমীতৃষা।

আরও পড়ুন: বাবার বন্ধুর ছেলেকেই বিয়ে করতে চলেছে মেঘ! নীল বিয়ে করছে শুনেই মধুমিতাকে নিজের সিদ্ধান্ত জানালো সে!

মাত্র ২৩ বছর বয়সেই সাফল্যের আকাশ ছুঁয়ে দেখছেন। উপার্জনও প্রচুর। তবে নিজের উপার্জনের টাকা নাকি বিশেষ একটি কারণে জলে চলে যায় অভিনেত্রীর! তাঁর কথায়, শপিংয়ের নেশা তাঁর মারাত্মক। সুযোগ পেলেই কেনাকাটা করেন। মন ভাল বা খারাপ যাই থাকুক। ভাল থাকার চাবিকাঠি বপন করা আছে শপিংয়ে। কেনাটাই সার। বেশির ভাগ সময় সেই পোশাক নাকি পরেনও না। আর এভাবেই টাকাগুলো নাকি জলে যায়। যা নিয়ে আক্ষেপের সুর মিঠাই রাণীর গলায়।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন