বরাবর স্পষ্ট ভাষায় স্পষ্ট কথা বলতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। নিজের শর্তে বাঁচতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী-পরিচালক। সমাজমাধ্যমে বেশ সক্রিয় শ্রীলেখা। দেশের ঘটমান রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক কখনও পরিস্থিতি নিয়ে গুরুগম্ভীর পোস্ট করেন তিনি। কখনও হালকা মেজাজে নিজের ছবি-ভিডিয়োও পোস্ট করেন।
অভিনেত্রীর কাছে সমাজমাধ্যম অনুরাগীদের সঙ্গেই মনের কথা ভাগ করে নেওয়ার একটি প্লাটফর্ম। চারপেয়েরা শ্রীলেখার কাছে সন্তানতসম। বড়ির পোষ্যদের পাশাপাশি রাস্তার সারমেয়দেরও খেয়াল রাখেন অভিনেত্রী। টলিপাড়ার অন্যতম প্রতিবাদী মুখ শ্রীলেখা।
সদ্য ভারত সরকারের কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের অনুমোদিত এলটেরান হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার শংসাপত্র শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। যেখানে তাঁকে গোটা দেশের মুখ্পাত্র ঘোষণা করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া ও মাই রিলিজিয়ন অফ লাভ হ্যাশট্যাগ দিয়ে অভিজিৎ রায়কে ধন্যবাদ দিয়ে ইয়া বড় পোস্ট করেছেন শ্রীলেখা।
সমাজমাধ্যমে কী লিখেছেন শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)?
সম্প্রতি শ্রীলেখা পেয়েছেন গুরু দায়িত্ব। অভিনেত্রীর সাফল্যের মুকুটে যোগ হয়েছে নয়া পালক। সমাজমাধ্যম মারফত সুখবরটি নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী। শংসাপত্র শেয়ার করে লিখেছেন,”আমি জানি আমি এটার যোগ্য। এই পদের দায়িত্ব আমি যথাযথ ভাবে পালন করার শপথ নিচ্ছি। অমানুষরা এখন আমার থেকে সাবধান।”
আরও পড়ুনঃ অনুরাগের ছোঁয়ায় আর ফিরছে না সূর্য! নিজের মুখেই জানিয়ে দিলেন অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত
শ্রীলেখা বরাবরই প্রতিবাদের অন্যতম মুখ। কোনও রকম অন্যায়, অপরাধ দেখতেই প্রতিবাদে সরব হন তিনি। বিশেষ করে পথ কুকুরদের উপর হওয়া হামলা বা অন্যায় দেখলে এক চুল বরদাস্ত করেন না অভিনেত্রী। যার জেরে নানা সময়ে হুমকির শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু কোনও কিছুই শ্রী লেখাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তবে এবার থেকে অভিনেত্রীর লড়াইয়ের রাস্তা অনেক বেশি মজবুত হয়েছে।
