Phulki Today Episode: ছদ্মবেশ ধারণ করতে বেশ পটু জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা সেকথা এতদিনে বুঝেই গিয়েছেন দর্শকমহল। এইবার আরও একবার সত্যের সন্ধান করতে গিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হলো ফুলকি এবং রোহিতকে। এই ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার মধ্যে বয়সের পার্থক্য বেশ অনেকটাই তবুও দুজনের মধ্যেকার রসায়ন খুব ভালো লাগে দর্শকম মহলের। এই বিষয়টি ধারাবাহিকটিকে দর্শকদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ছন্দকের কথাগুলো আসলেই সত্যি কিনা সেটা জানতে একটা নতুন উপায় বের করেছে ফুলকি। তার স্যারকে নিয়ে ছন্দকের বন্ধু-বান্ধবদের কাছে এবং তার পাড়ায় খোঁজখবর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছন্দক আদৌ সত্যি কথা বলছে কিনা আর বলল ঠিক কতটা বলছে সেটা জানাটা তাদের পক্ষে ভীষণ জরুরী। একবার যখন জামাইবাবুর নাম জড়িয়ে গিয়েছে তখন এখান থেকে কিছুতেই পিছু হটতে চায় না ফুলকি।
রোহিত বুঝে যায় ছন্দক ভালো ছেলে (Phulki Today Episode 7 May)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সাংবাদিক এবং চিত্র সাংবাদিক সেজে রোহিত আর ফুলকি চলে গিয়েছে ওই এলাকার লাইব্রেরীতে। সেখানে গিয়ে কথাবার্তা বলে তারা জানতে পারে, ছন্দক ভীষণ ভালোর একটা ছেলে। কিন্তু আজকালকার দিনে সৎ মানুষেরা কখনোই ন্যায় বিচার পায় না। যার প্রকৃত প্রমাণ ছন্দক মজুমদার। সেও ন্যায় বিচারের অভাবে আজকে বিনা দোষে জেল খাটছে। এসব শুনে ছন্দকের ব্যাপারে একটু হলেও ধারণার পরিবর্তন ঘটে রোহিতের।
এরপর তারা চলে যায় মোহনা পুরা কলেজে। সেখানে গিয়ে এক ছাত্রের থেকে তারা জানতে পারে, ঈশিতা আর রুদ্ররূপ সান্যাল এর সাথে খুব একটা ভালো সম্পর্ক ছিল না ছন্দক মজুমদারের। তাদের মধ্যে সব সময় সমস্যা লেগেই থাকতো। যার জেরে আজ ছন্দক মজুমদার জেলে। ফুলকির আর বুঝতে বাকি থাকেনা এই ঘটনার পেছনে আসল দোষী কে। সে ঠিক করে ফেলে ছন্দক দাদাকে সাহায্য করবেই। তার এই কথাকে আর অমান্য করতে পারে না রোহিত। তবে তাদের সকাল থেকে বাড়িতে না থাকা এবং লুকিয়ে লুকিয়ে কোথাও একটা চলে যাওয়া এই ঘটনাগুলো জানতে পেরে আবার ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায় রুদ্র।
আরও পড়ুনঃ গীতা এলএলবিতে নয়া মোড়! মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল গীতার হবু বর! তাকে বাঁচাতে মরিয়া গীতা!
অংশুর সাথে পারমিতাকে যেতে বাধা দেয় হৈমন্তী
অন্যদিকে সময় এসে গেছে পারমিতার নিজের বন্ধুর কাছে যাবার। ফুলকি ঠিক করে অংশুমান পারমিতাকে পৌঁছে দিয়ে আসবে। পারমিতা সবাইকে বিদায় জানিয়ে যেই হৈমন্তীকে বিদায় জানাতে যায় তখনই হৈমন্তী বলে অংশুমান ছাড়া কি আর কেউ ছিল না পারমিতাকে দিয়ে আসার? এই নিয়ে কিছুক্ষণ সমস্যা সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে সেটা মিটে যায়। এরপর বন্ধুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে পারমিতা। এদিকে রোহিত আর ফুলকি সকালে কোথায় গিয়েছিল সেটা অনেক কায়দা করে জানার চেষ্টা করে রুদ্র আর ঈশিতা। কিন্তু বিশেষ কিছু লাভ করে উঠতে পারে না।
