অবশেষে, জ্ঞান ফিরল আদৃতের। ইতিমধ্যেই, রায় পরিবারে সকলে জানতে পেরেছে যে, মারা গেছে আদৃত। শুভ এবং বাড়ির সবাই ভেঙে পড়েছে কান্নায়। এদিকে, বাড়িতে হয়েছে নতুন ছোট্টো সদস্যের আগমন। স্টার জলসার প্রিয় প্রবেশ সিরিয়ালে আজকের পর্বে গল্পের শুরুতে দেখা যাবে, শুভ শ্রীমন্তীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে।
এই সময় পূরবী এসে বলে, ‘এই শুভ তুই যদি এইভাবে কান্নাকাটি করিস তাহলে তোর শরীরের উপর কতটা এফেক্ট পড়বে তা তুই জানিস, তুই দয়া করে এসব করিস না। তুই একবার কেশবের কথাটা ভাব’। এই সময় শ্রীমন্তী শুভকে সামলাতে বলে। আরও বলে, যে চলে গেছে সে আর ফিরে আসবে না কিন্তু যে এসেছে তাঁকে তো শুভকেই দেখাশোনা করতে হবে।

এরপর কেশবকে শ্রীমন্তীকে দেখানোর জন্য শুভ ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর পূরবী বলে, ‘এই শুভকে আমি আর দেখতে পাচ্ছি না’। এই সময় শ্রীমন্তী স্মৃতিচারণা করে বলে আদৃতকে কথা দিয়েছিলাম আমি শুভকে দেখে রাখবো, আমি শুভর কোন ক্ষতি হতে দেব না। সব সময় পাশে থাকবো’। এই সময় পূরবী বলে, ‘শুভর পাশে আমরা সবাই আছি দিদিভাই কিন্তু যদি একটা মেয়ের পাশে তার স্বামী না থাকে এবং পৃথিবীর সবাই যদি পাশে থাকে সেই সময়তেও মনে হয় কে যেন একটা পাশে নেই’।
পূরবী ও শ্রীমন্তীর কথোপকথনের সময় কেশবকে নিয়ে ঘরে আসে শুভ এবং সেই একরত্তিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বাবার ব্যবহৃত সকল জিনিস চেনাচ্ছে। আর বলে, ‘তোর বাবা একজন খুব ভালো মানুষ ছিল। সে সব সময় তোর মাকে অনেক ভালোবাসত, তোর মাকে সাপোর্ট করত’। এরপর দেখা যায় ঠাম্মি শুভকে খেতে দেয়। এই সময় পূরবী শুভ’র প্রিয় খাবারটা আনলেও সেটাকে ছুয়ে পর্যন্ত দেখেনা সে। বাড়ির সকলে শুভকে বোঝাতে থাকে সে না খেলে কেশবের কীকরে দেখভাল করবে? এই সময় শুভ কারোর কোন কথা না শুনে কেশবকে কোলে নিয়ে ঘরে চলে যায়।
আরও পড়ুনঃ শুভকে কাছে টেনে নিল আদৃতের মা! ছেলের অবর্তমানে শুভর সমস্ত দায়িত্ব নিল সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
ঘরে গিয়ে শুভ কেশবকে আকাশের দিকে দেখিয়ে বলছে ‘তোর বাবা তারা হয়ে গেছে’। এরপর ছেলের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলতে থাকে শুভ। এই সময়, যে কাগজে আদৃতের হাতের ছাপ ছিল সেই কাগজেই শুভ নিজের আরকেটা ছাপ তুলে তুলে দেয় সে। অন্যদিকে আবার দেখা যায়, কলকাতার এক হসপিটালে রয়েছে রয়েছে আদৃত। জ্ঞান ফিরে আসা সঙ্গে সঙ্গে ছটপট করতে থাকে সে।
এই সময় নার্সরা গিয়ে ডক্টর মোহনাকে খবর দেয় যে, ‘ম্যাডাম পেশেন্টের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে’। এরপর এই ডাক্তার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায় আদৃতের কাছে এবং জিজ্ঞাসা করে আদৃতকে তাঁর কিংবা কোথায় বাড়ি? এইসব জিজ্ঞাসা করাতে আদৃত কিছুই বলে উঠতে পারে না এবং মনে মনে ভাবতে থাকে তাকে কি আদৌ কেউ নিতে আসবে? এরপর, অবশেষে দেখা যাচ্ছে শুভ মনে মনে প্রার্থনা করে সে যেনো আদৃতের যকোনো খোঁজ পেয়ে যায়।
