নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের খলনায়ক রুদ্ররূপ সান্যাল। তবে তার হঠকারিতাই তাকে বারবার সমস্যা মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। দেখতে দেখতে এক বছর টেলিভিশনের পর্দায় কাটিয়ে ফেললো এই ধারাবাহিক। টিআরপি তালিকায় বর্তমানে প্রথম স্থানে রয়েছে এই মেগা।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, এতদিন অনেক কুকর্ম করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকির জামাইবাবু অর্থাৎ রুদ্র। বহুবার রোহিতের ক্ষতি করতে চেয়েছে সে। সেই সবটাই বুঝতে পেরেছে ফুলকি। তাই এইবার রুদ্রর আসল রূপটা সবার সামনে প্রকাশ করতে উঠে পড়ে লেগেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। এখন তার পাশে রয়েছে দিল্লি পুলিশ। তাই এই সুযোগটাকেই সেই কাজে লাগাতে চাইছে।
ইতিমধ্যেই দর্শকরা দেখেছেন, রুদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশের ধরে নিয়ে গেছে। রুদ্র প্রথমে যেতে চায়নি। সে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু তাকে কিছুতেই পালিয়ে যেতে দেয়নি লাবু। সে তাড়াতাড়ি গিয়ে দরজা খুলে দেয়। যার ফলে ধরা পড়ে যায় রুদ্র। সবার সামনে দিয়ে নবাবগঞ্জের এমএলএ রুদ্ররূপ সান্যালকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। এই গোটা ঘটনায় ফুলকির ওপর রাগ আরো বেড়ে যায় রুদ্রর।
আরো পড়ুন: জি বাংলায় আসছে পুবের ময়না, প্রকাশ্যে নতুন ধারাবাহিকের দিনক্ষণ! জেনে নিন কখন আসছে নতুন ধারাবাহিক
পুলিশ রুদ্রকে জেরা করে বিশেষ কিছু বের করতে পারে না। খুব চালাকির সাথে সমস্ত কথা এড়িয়ে যেতে থাকে রুদ্র। এদিকে সবটা জানতে পেরে ভীষণ ভেঙ্গে পড়ে পল্লব রায়চৌধুরী অর্থাৎ রুদ্র শশুর মশাই। লাবুও একটু একটু করে নিজেকে শক্ত করতে থাকে। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে রুদ্র অনেক কিছুই সবার থেকে গোপন করেছে। আর লাবু এতদিন দেখেও সবকিছু না দেখার ভান করেছিল।
অনেক বড় খেলা খেলছে রুদ্র
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ফুলকি রোহিতকে তার মনের সমস্ত সন্দেহর কথা জানিয়ে দেয়। সে বলে, তার মনে হচ্ছে জামাইবাবুই আসলে রাজাবাবু। অন্যদিকে অংশুমান দিল্লির পুলিশ অফিসারকে বলে, ফুলকির ধারণা খুব একটা মিথ্যা হয় না। এই সমস্ত কিছু থেকে বাঁচতে এবং নিজের ব্যবসা চালিয়ে যেতে নবাবগঞ্জের ওসিকে একটা এনকাউন্টার করার হুকুম দেয় রুদ্র।
