ভগবান আছে, তাই কপাল জোরে বাবাকে আবারও মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচাতে পারলো ফুলকি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, চৌধুরী মহল থেকে শ্যামানন্দ বাবাজি অর্থাৎ বড় রাজাবাবুকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে রোহিতরা। সেই সময়, রাজমহলের সকল সদস্যরা বড়ো রাজাবাবুকে ঘিরে হইহুল্লোড় করেছে।
এদিকে, বড় রাজা বাবু কে নিয়ে এই এলাকা থেকে যত তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যাওয়া যায় সেই চিন্তাই করছে রোহিত। এমন সময়, ওই ভীড়ের মধ্যে অচেনা এক ব্যক্তি এসে মস্ত বড় একমালা পরিয়ে দেয় বড় রাজাবাবুকে। কিন্তু, সেই মালা অসম্ভব ভারী হওয়ায় বড় রাজাবাবু খুলে ফেলতে চায়। কিন্তু, সেই সময় কুল্কি তার কাছে গিয়ে দেখে মালার মধ্যে কো কিরকম যেন একটা আলো জলছে?

এই মালাটা খুব একটাতে লক্ষ্য করে দেখে বোম্ব লাগানো আছে, দেখতে পায় ফুলকি। বোম্বটা দেখা মাত্রই ফুলকি বড় রাজাবাবুর গলা থেকে মালাটা খুলে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। আর, মালাটা পাতকুয়োতে পড়া মাত্রই ফেটে যায়। এরপর, ফুলকিরা আবার নিশ্চিত হয় যে ছোট রানী মাই বড় রাজাবাবুকে শেষ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।
বোম্ব ফাটার পর রোহিত খুব ভয় পেয়ে যায়। আর, যার জেরে সে তৎক্ষণাৎ বাড়ি চলে যেতে চায়। কিন্তু ফুলকি বলে আর কতদিন এইভাবে ছোট রানী মার থেকে তাঁরা পালিয়ে বাঁচবে, যেখানে তাদের কোন দোষ নেই।এরপর, রাজমহলের ক্ষিপ্ত জনতা বলে এই মুহূর্তেই তারা চৌধুরী মহলে প্রবেশ করবে। ঠিক এমন সময়তেই একদল পুলিশ চলে এসে সেই সব ব্যক্তিদের আটকানোর চেষ্টা করে।
এরপর, স্বাগতা ম্যাডাম এসে ফুলকিকে বলে সে বললেই একমাত্র এইসব রাজমহলের বাসিন্দারা থামবে। তাই, ফুলকি স্বাগতা দিদির কথা মতোই তাঁদের থামায়। আর, বলে তাঁরা ভাবনা চিন্তা করে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাবে। এরপর, দেখা যায় ফুলকি তার বাবাকে নিয়ে পৌঁছে গেছে রায়চৌধুরী বাড়িতে।
এদিকে, এই শ্যামানন্দ বাবাজীকে দেখে আবারও রেগে যায় রোহিতের মা। রোহিতের মা ফুলকিদের সঙ্গে কথা বলার আগে তমাল শ্যামানন্দ বাবাজিকে পিয়ালের ঘরে নিয়ে যায়। এরপর, রোহিতের মা বলে এই কিছুদিন আগে বড় রাণী মাকে নিয়ে এসে অনেক ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে আর আজ এই অচেনা ব্যক্তিকে নিয়ে এসে আবারো কি পরিবারের মধ্যে ঝামেলা বয়ে নিয়ে আনতে চাইছে ফুলকি।
এমন সময় রোহিত ফুলকির হয়ে তাঁর মাকে বোঝায়। রোহিত বলে ফুলকি মন থেকে বিশ্বাস করে বড় রাণীমা তার মা এবং বড় রাজাবাবু তার বাবা তাই তার বাবাকে চৌধুরী মহলের অধিকার পাইয়ে দিতে এই লড়াই করছে। এমন সময়, ধানু হঠাৎ ফুলকিকে ফোন করে জানাই সে রায় চৌধুরী বাড়িতে আসছে। এই শুনে রায় চৌধুরী বাড়ির সকলে অবাক হয়ে যায়। এমন সময় ফুল্কি মনে মনে ভাবে তার জন্যই কি আজ ধানুর কোন বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে?
আরও পড়ুনঃ শ্যামানন্দ বাবাজিই আসল বড়ো রাজা! মালার মধ্যে বোম লুকিয়ে রাজার উপর হামলা! বাবার প্রাণ বাঁচালো ফুলকি!
এদিকে, বোম্ব ব্লাষ্টের ব্যাপারটা ছোট রানীমার পানে যাওয়া মাত্রই সেই রুদ্রকে নানা ধরনের প্রশ্ন করতে থাকে। এমনকি, তাঁকে বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা বলতে থাকে। এমন সময় রোহিত বলে তার যদি না পোষায় তাকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর, ছোট রানী মা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে রুদ্রকে বলে ভালো একটা পরিকল্পনা করে ফুলকি এবং বড় রাজা বাবুকেই পৃথিবী থেকে যেন সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখতে পাওয়া যাবে,ফুলকি প্রণাম আশাভরি রায়চৌধুরী এবার আদালতে লড়াই শুরু হবে। আদালতে এবার গিয়ে শুরু হতে চলেছে তাই চারিদিক থেকে শত্রু হানা দিতে পারে, এই কথাই মনে মনে ভাবে ফুলকি।
