ভাগ্যের ফিরে বড় রানী মার দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও শ্যামানন্দ বাবাজি অর্থাৎ বড় রাজাবাবু উত্তীর্ণ হতে পারল না। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, নৃসিংহ দেবের পুজো করে শ্যামানন্দ বাবাজি সকলকে প্রদীপের আশীর্বাদ দেয়। এরপর, তিনি ফুলকিকে বলে এই বাড়িতে তার একদমই ভালো লাগছেনা।
তিনি আরও বলে, বাড়ির মানুষগুলোকে তার ভালো না লাগলেও এই নিসিংহ দেবের মন্দিরে এসে তার খুবই ভালো লেগেছে। এমন সময়, ফুলকি বলে সে এবার থেকে রোজ এসে এই মন্দিরে পূজা করবেন। এরপর, রোহিত আলাদাভাবে ফুলকিকে নিয়ে গিয়ে বলে সে যেন শীঘ্রই এই বাবাজীকে নিয়ে এই বাড়ি থেকে চলে যায় যাতে আর কোনো অসম্মানের কবলে তাদের পড়তে না হয়।

এরপর, অন্যদিকে দেখা যায় ছোট রাজা অফিস ঘরে গিয়ে মনে মনে তার দাদার ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করছে এবং ভাবছি যে বর্তমানে ফিরে এসেছে সেই আসল বড় রাজা কিন্তু তা কিছু কারণবশত কারোর কাছে বলে উঠতে পারছে না।
এরপর এদিকে দেখা যায় বড় রানী মা খুব রেগে গেছে আর সেই সময়তে চৌধুরী মহলের বাকি সদস্যদের কিছু দরকারী কথা বলার জন্য ঘরে সকলকে ডেকে আনে। বড় রানী সকলকে জানাই সে আর একবার এই শ্যামানন্দ বাবাজিকে পরীক্ষা করে দেখতে চায়।
বড় রানীর মুখে ছোট রানী এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় এবং সে বারেবারে তাকে বোঝাতে থাকে যাকে একবার দেখেই বোঝা গেল যে এই বাড়ির বড় রাজা নয় তাকে আর দিকে দ্বিতীয় বার দেখে কি লাভ হবে? কিন্তু, বড় রানী সেই কথা মানতে নারাজ। এমন সময় বড় রানীর কথা কি সমর্থন করে ছোট রাজা এবং আদিত্য।
আদিত্য বলে তার মাকে, বড়মা, যা চাইছে তাই করতে দাও নইলে তাকে(ছোটো রাণী) অনেকেই ভুল বুঝবে। এরপর ফুলকিরা বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সময় পিছন থেকে ছোট রাজার ডেকে তাদেরকে আটকায় আর বলে বড় রানী মা এই শ্যামানন্দ বাবাজিকে আরেকবার দেখতে চায়। এই কথা শুনে মনে মনে ফুলকি বেশ খুশি হয়ে যায়।
এরপর, বাড়িতে ডেকে বড় রাণী মা নানান রকমের পদ রান্না করে সেই শ্যামানন্দ বাবাজিকে খেতেই দেয় আর মনে মনে ভাবি বড় রাজা তার হাতের বিশেষ সুক্ত খেতে ভালোবাসতো এই ব্যক্তিও যদি সেই সুপ্ত খেতে ভালোবাসে তাহলেই তিনি বুঝে যাবেন এই ব্যক্তি হলেন বড় রাজাবাবু।
আরও পড়ুনঃ সদানন্দ বাবাজিই বড় রাজা! মেনে নিল রাজমহলের বাসিন্দারা! তবে, কি ছোট রাণীর জামানা শেষ?
এরপর খাওয়ার সময় এই শ্যামানন্দ বাবাজি অর্থাৎ বড় রাজাবাবু সুখ তো খেয়ে প্রশংসা না করে উল্টে ঘেন্না করতে থাকে। আর এই ব্যবহারের মাধ্যমে বড় রানী মা বুঝে যায় যে এই ব্যক্তি কখনোই বড় রাজা বাবু হতে পারে না। এদিকে আবার শ্যামানন্দ বাবাজির উপর বড় রানিমার এরকম ব্যবহার দেখে অবাক হয়ে যায় ফুলকি আর সেই সময় নানান কথায় তর্ক বিতর্ক হতে থাকে ছোট রানী মার সঙ্গে।
এই ধারাবাহিকে আগামী পর্বে দেখতে পাওয়া যাবে, বড়ো রাজা বাবুকে গ্রামের লোকেরা ভালোবেসে মালা পরিয়ে দেয়। কিন্তু, সেই মেলাতে ফুলকি অদ্ভূত একটা জিনিস দেখতে পেয়ে অবাক হয়ে যায়।
