কালো পোশাকধারী, চৌধুরী মহলের গুরুজী এবং রুদ্ররূপ সান্যাল তিনজনে একই মানুষ, বুঝতে পারল ফুলকি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, পিন্টুর পাতা ফাঁদে অজান্তেই পা দিয়েছে ফুলকি এবং স্বাগতা। এমন সময়, আপাদমস্ত কালো রঙের জামা প্যান্ট পরা এবং মুখোশধারী এক ব্যক্তি পিস্তল উঁচিয়ে এগিয়ে আসে ফুলকির দিকে।
মুখোশধারী এই ব্যক্তি অর্থাৎ রুদ্ররূপ মনে মনে ভাবে এবার যেন ফুলকি তাকে একটু ভয় পায়। এরপর, ফুলকি নিজে বাঁচার স্বার্থে সেই ব্যক্তির হাত থেকে পিস্তলটা ফেলে দেওয়ার সময় গুলি সোজা গিয়ে লাগে স্বাগতার বুকে। আর, গভীর আঘাত প্রাপ্ত হয় স্বাগতা। এদিকে, আবার ফুলকিদের বাঁচাতে এসে পড়ে রোহিতরা।

এরপর, কিন্তু এবং মুখোশধারী লোকটিকে পুলিশেরা ধরতে না পারলেও ফুলকিরা স্বাগতাকে কোনরকমই নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অনেক চেষ্টা করার পরে স্বাগতাকে বাঁচানো যায়। এরপর পুলিশকে নিয়ে রোহিত বাইরে এলো তার থেকে সবটা শুনতে চাই কি কি হয়েছে। এমন সময় ফুলকি চা খেতে খেতে রুদ্রর রাস্তায় একটা ছেঁড়া পোস্টার দেখে সেই দিকে এগিয়ে যায়। আর, এরপরেই আচমকা ফুলকি রোহিতকে ডেকে বলে সে এবার বুঝতে পেরেছে বিলেত ফেরত বাবাজি, কালো মুখোশধারী ব্যক্তি এবং রুদ্ররূপ সান্যাল তিনজনে একই মানুষ।
ফুলকি যেইনা সন্দেহ হয়েছে রুদ্রকে নিয়েই তখনই রোহিত ফোন করে বসে লাবুকে আর বলে এই মুহূর্তেই থানায় তাকে পৌঁছে যেতে। এরপর, পুলিশ অফিসারের কাছে অনেকবার অনুরোধ করার পর অবশেষে রুদ্রের কাছে দেখা করাতে নিয়ে যায় ফুলকিদের। এমন সময়, রুদ্রকে জেলের মধ্যে দেখতে পেয়ে ফুলকি বেশ অবাক হয়ে যায়। এরপর, রুদ্র তাঁর সেই তেজ-রূপ নিয়ে নিজের ভঙ্গিতে কথা বলতে থাকে লাবুদের সঙ্গে। নানা কথায়, রুদ্র উত্ত্যক্ত করতে থাকে রোহিতদের।
আরও পড়ুনঃ ভন্ড গুরুজীই রুদ্র! হাতেনাতে ধরা পরতে চলেছে রুদ্র? কোনদিকে মোড় নেবে ফুলকি ধারাবাহিকের গল্প?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, কারাগারে রুদ্রকে দেখার পরও ফুলকির সন্দেহ কিছুতেই কমেনা। মনে মনে ফুলকি ভাবতে থাকে, রুদ্র রুদ্ররূপ সান্যালই কি তিন জায়গায় থাকতে পারে? কিন্তু কোন একটা সংযোগ রয়েছে ওই মুখোশধারী লোক গুরুজি এবং রুদ্ররূপ সান্যাল এর মধ্যে।
