চৌধুরী মহলের বন্ধ গুরুজীর পিছনে আসলে কে রয়েছে তা ধরে ফেলল ফুলকি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, নবাবগঞ্জের সংশোধনাগারে থাকার রুদ্র তার কথার মাধ্যমে উত্ত্যক্ত করে তুলেছে রোহিতকে। যার ফলে রোহিতকেই পুলিশরা তাদের হেফাজতে রাখার কথা বলছে।
এমন সময় লাবুও তাদের জানায়, সেও জানে যে আড়ালে আপনারে অনেক কাণ্ডকারখানা ঘটে যায় এই সংশোধনাগারে। এরপর রোহিতের মাথা ঠান্ডা করানোর জন্য ফুলকি তাকে বাইরে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পরে রোহিত শান্ত হলে সে অনুশোচনা করতে থাকে কারণ আজ আবার তার জন্যই লাবুকে পুলিশের কাছ থেকে নানা ধরনের কথা শুনতে হচ্ছে।

এমন সময় ফুলকি রোহিতকে সেই উদ্দালক গুরুজি এবং রুদ্রর ব্যাপারে কথা বলতে থাকে। ফুলকি জানাই সে এই মুহূর্তে আবারও যেতে চায় চৌধুরী মহলে। কারন সেই দেখতে চায় এখন গুরুজি কি করছে? ফুলকির এই কথা শুনে রুদ্র রেগে যায় আর বলে যতই হোক সেটা ধানুর শশুর বাড়ি বারে বারে সেখানে যাওয়াটা তাদের মানায় না। কিন্তু ফুলকি কোন বারণ শুনতেই নারাজ।
এরপর হঠাৎ করেই রুদ্রর কাছে স্টোর থেকে সুমনের ফোন চলে আসে। তাই, রোহিতকে খানিক বাধ্য হয়েই চলে যেতে হয় স্টোরে। এদিকে, ফুলকিরা থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই পুলিশ অফিসার রুদ্রের কাছে যায় এবং বলে, সে যেনো এক্ষুনি চৌধুরী মহলে আবার পৌঁছে যায়। এমন সময় রুদ্র বলে ফুলকি তাকে কিছুতেই ধরতে পারবে না কখনো সে উদ্যান গুরুজি কখনো সে রুদ্র হিসেবে ধরা দেবে তার কাছে।
এরপর, এদিকে চায়ের দোকানে জল খেতে খেতে দুই পুলিশ কনস্টেবল এর কথা শুনে পুলকির সন্দেহ আবারও বেড়ে যায়। যাঁর ফলে, ফুলকি দৌড়ে যায় চৌধুরী মহলে। অন্যদিকে হাড়হাইনেস পুলিশ অফিসারের থেকে জানতে পারে রুদ্র থানার গুপ্ত পথ ধরে বেরিয়ে পড়েছে রাজমহলে আসার জন্য।
এমন সময়, ফুলকি আবারও পৌঁছে যায় চৌধুরী মহলে আর গিয়েই উদ্দালক গুরুজীর খোঁজ করতে থাকে। ফুলকির এই অবাক করা ব্যবহার দেখে কিছুটা ভয় পেতে থাকে আশাভরি চৌধুরী। ছোট রানী মা মনে করেন ফুলকি কি কোনোরকমে রুদ্র এবং গুরুজীর মধ্যে মিল পেয়েছে? যাঁর জন্য এমন ব্যবহার করছে।
এরপর, চৌধুরী মহলের সবাই ফুল্কিকে আটকাতে চাইলেও সে কারোর বারণ না শুনে সোজা চলে যায় গুরুজীর ঘরের দিকে। এরপর, অনবরত তাকে ডাকতে থাকে। কার্যত, চৌধুরী মহলের সবাই বিরক্ত হয়ে যায় ফুলকির এই ব্যবহারে। এমন সময় ধানু সবাইকে বলে ফুলকি যখন যা বলে তার পেছনে ঠিক কোনো কারণ থাকে তাই, ওকে বাধা না দেওয়াটাই শ্রেয় বলে মনে হয়। এরপর, গুরুজীকে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করার পর দরজা খোলে। অবশেষে, ঝুঁকিকে সঙ্গ করে ফুলকি নিয়ে ফেলে সাংঘাতিক পদক্ষেপ।
আরও পড়ুনঃ ধীরে ধীরে জাল গোটাচ্ছে ফুলকি! হাতের নাগালে রুদ্র! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ‘কাকাবাবু পুলিশ ডাকুন। একজন জেল খাটা আসামী এখানে লুকিয়ে আছে’ বলে ফুলকি। এরপর, জয় মা কালী বলে ভন্ড গুরুজীর চুল-দাঁড়ি সব টেনে খুলে ফেলে ফুলকি।
