অবশেষে ফুলকি (Phulki) খুঁজে পেল নিজের মাকে। এই ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকি তাঁর বাবার সঙ্গে ম্যাটারো করে মাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বিপদের সম্মুখীন হয়। ফুলকির বাবা অজানা ব্যক্তিদের হাতে মার খাচ্ছে দেখে সে গাড়ি থেকে নেমে সবাইকে বেধারক মারতে থাকে।
অন্যদিকে, ফুলকিকে নিয়ে আলোচনায় মত্ত রোহিত ও ধানু। এমন সময় রোহিত ফুলকির কথা বলতে বলতে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে। এই দেখে, ধানুও তাঁর দাদার সঙ্গে মসকরা করতে থাকে। রোহিত বলে, ফুলকির মতো মেয়েকে যেকোনো বাবা মায়েরই মাথায় করে তুলে রাখা উচিত। কথায় কথায় ধানুও আবার বলে, সে এখনও তাঁর মনের মানুষ খুঁজে পেল না।

এদিকে, আবার গুন্ডারা ফুলকির হাতে মার খেয়ে চম্পট দেয়। এমন সময় ফুলকির বাবা তাঁর প্রতি গর্ববোধও করে। তারপর, আবার দুজনে গাড়িতে উঠে মাল ডেলিভারি করতে যায়। কিন্তু, তাও ফুলকির মনে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা নিয়ে ভাবতে থাকে কেনো এরকম কেউ করবে?
এরপর, অনুষ্ঠান শেষ হতেই রোহিত বাড়ি এসে আলমারিতে জামাকাপড় গোছাতে থাকে। আর সেই সময়েই চলে আসে ফুলকি। কিন্তু, রোহিত তাঁকে আনমনা দেখে প্রশ্ন করায় ফুলকি তাঁকে সবটা খুলে বলে। এরপর, তাঁকে পোশাক বদলে নিতে বলে। তারপর দেখা যায়, ফুলকি আর রোহিত বারান্দায় দাঁড়িয়ে একে অপরকে মনের কথা বলছে। এই সময় নানা কথায় ফুলকি তাঁর হারিয়ে ফেলা মায়ের কথা মনে পরে খুব কাঁদতে থাকে।
অন্যদিকে, দেখা যায় রাজমহল রোডের রাজ বাড়িতে একজন বিধবা মহিলা বন্ধ করে কাউকে একটা ঘুম পাড়ানি গান গেয়ে ঘুম পড়াচ্ছে। পরে দেখা যায়, সেই মহিলা একটা বালিশকে বাচ্চা মনে করে ঘুম পড়াচ্ছে। এমন সময় ঘরে চলে আসে সেই বাড়ির হারহাইনেস অর্থাৎ সেই বাড়ির ছোটো বউ সবাইকে হাঁকডাক করে সেই বিধবা মহিলা অর্থাৎ বাড়ির বড়ো বউয়ের জন্য খাবার নিয়ে আসায়। এমন সময় হারহাইনেস মনে মনে ভাবে, বাড়ির বড়ো বউয়ের থেকে মেয়ে এবং স্বামী কেড়ে নিয়েছে। তাই, বাড়ির বড়ো বউকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব তো তাকেই নিতে হবে।
এরপর, হারহাইনেস ঘর থেকে বেরোনোর সময় আরও ভাবে এই রাজ বাড়ির রিয়েল এস্টেটের নিয়ম অনুযায়ী, সব সম্পত্তি বাড়ির বড়ো সন্তান পায়। কিন্তু,
হারহাইনেস এই কারণের জন্যই বাড়ির বড়ো সন্তানকে
সরিয়ে দিয়েছে যাতে তাঁর সন্তানই সবকিছুর অধিকারী হয়। এরপর, হারহাইনেস-এর ম্যানেজার সেই অজানা গুন্ডাদের ফোন করে মাল সরানোর কাজ হয়েছে কিনা? জিজ্ঞাসা করাতে তাঁদের মালিককে ফোন করে সবটা জানায়।
আরও পড়ুনঃ রায়ানকে বাঁচাতে মরিয়া পারুল! শিরিনের কুকীর্তির রাজসাক্ষী হলো রায়ান! ফাঁ’স আজকের পর্ব
অন্যদিকে, দেখা যায় ফুলকি ঘুমের ঘোরে মায়ের ঘুম পারানি গান শুনতে পেলেও তাঁর মাকে খুঁজে পাচ্ছে না। এমন সময়তেই ফুলকির হঠাৎই ঘুম ভেঙে যায়। আর, রোহিতও তাঁর এমন অবস্থা দেখে তাঁকে শান্ত করতে থাকে। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রানী মা কে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে রায় চৌধুরী পরিবারে। আর সেই রানী মাকে সামনাসামনি দেখতে চলেছে ফুলকি।
