পারুলের কাছে সেদিনের থেকেও অনেক বেশি আপন রায়। তাই এখন আপাতত শিরিনের পর্দাফাঁসের বিষয় কিছুটা হলেও ধামাচাপা পড়ে গেছে পারুলের কাছে। বর্তমানে এখন একটাই চিন্তা মাথায় ঘুরছে কে এবং কী কারণে রায়ানকে মারতে চাই? জি বাংলার পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকের কত পর্বে দেখা গেছে বাড়িতে পারুলরা ফেরা মাত্রই চিন্তায় পড়ে গেছে রায়ান কার শত্রু হতে পারে?
এমন সময় পারুল এবং রায়ান নানান চিন্তা দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাই পারুল রায়ান কে শুতে বলে নিজেই মনে মনে ভাবতে থাকি, কে হতে পারে যে এই বিপদ থেকে তাদেরকে উদ্ধার করবে? ভাবতে ভাবতে পারল হঠাৎ মনে পড়ে তূর্যই একমাত্র তাকে এই বিপদে সাহায্য করতে পারে।
এদিকে, পারুলের থেকে পাওয়া চোট নিয়ে ভাবতে থাকে তুর্য। তূর্য মনে মনে বলে, পারুলের করা প্রথম আঘাত তার কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমনকি প্রেম ভালোবাসায় একটু চোট আঘাত লাগতেই পারে, এমনটাই ধারণা পোষণ করে তূর্য। তূর্য আরো বলে, পরবর্তীকালে পারুল রায়ানকে ভুলে গিয়ে তার ভালোবাসাতেই বিভোর হয়ে থাকবে।
অন্যদিকে পরের দিন সকাল হতেই পারুল কলেজ থেকে তূর্যর বাড়ির ঠিকানা খোঁজ নিয়ে সোজা চলে যায় তার বাড়িতে। কিন্তু, তুর্যকে ডাকাডাকি করায় কোনো সাড়া দেয় না। তাই, বাধ্য হয়েই তাঁর ঘরে ঢুকে পরে পারুল। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই এসে পরে তুর্য আর পারুল সবটা জানা বোঝার আগেই তাঁকে ঘরে ঢুকতে আটকে দেয়।
তুর্য বাড়িতে পারুলকে দেখে অবাক হয়ে যায়। এরপর, পারুল কী জন্য তাঁর কাছে গেছে সেটাও বলে। তুর্য সবটা শুনে পারুলকে সাহায্য করার আশ্বাসও দেয়। এরপর, পারুল চলে গেছে তুর্য ভাবতে থাকে পারুল কেনো এত উদগ্রীব হয়ে রায়ানকে বাঁচাতে চাইছে। কিন্তু, তুর্য তাঁর লক্ষ্যের সামনে কিছুতেই পারুলকে আসতে দেবে না।
এদিকে, সকালে ঘুমের ঘোরে রায়ান স্বপ্ন দেখে তাঁকে কেউ মারতে আসছে। এমন সময়, ঘুম ভেঙে যায় রায়ানের। আর, ঘুম থেকে উঠেই দেখে পারুলের কথা মতো তাঁকে পাহারা দিচ্ছে মৈনাকরা। এরপর, রায়ান জানতে পারে সকাল হতেই পারুল বেরিয়ে গেছে তাঁর কাজে। কিন্তু, বাড়িতে পারুল মিথ্যে কথা বলে কোথায় গেছে? ভাবতে থাকে রায়ান।
আরও পড়ুনঃ মেডেল জেতার আনন্দে আত্মহারা রোহিত! আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে বিপদের সম্মুখীন ফুলকি! ফাঁ’স আজকের পর্ব
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পারুল রায়ানকে বলছে, ‘আমি যা বলবো তাই করবি’। এই শুনে রায়ান বলে, ‘তোর চেলা হয়ে আমি সবসময় তোর সাথে সাথে ঘুরবো না। শিরিনের নামে নালিশ করতে গেলে তো নয়ই। এই শুনে পারুল দাদুকে ডাকতে গেলেও বাধা দেয় রায়ান। সেই সুযোগে পারুল রায়ানকে ডি এন স্যারের কাছে গিয়ে শিরিনের ভিডিও দেখায় আর তখন রায়ান বলে, ‘তুই এটা ঠিক করলিনা পারুল’
