যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেল রুদ্ররূপ সান্যাল। জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকে চলছে এখন রুদ্ধশ্বাস পর্ব। এই গল্পের গত পর্বে দেখা গেছে, আদালতের বিচারাধীনে রয়েছে লাবণ্যর স্বামী অর্থাৎ রুদ্র। কোর্টে কেস চলাকালীন ধানু প্রথমে কাঠগড়ায় ডাকে ফুলকিকে।
কাঠগড়ায় এসে ফুলকি নানা ধরনের অভিযোগ আনতে থাকে রুদ্রর বিরুদ্ধে। এরপর, কাঠগড়ায় আসে লাবু এবং সে রুদ্র জন্ম পরিচয় থেকে শুরু করে তাঁর বর্তমান সময়ে অবধি ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বলতে থাকে জজ সাহেবের কাছে। এমনকি কোন কারণে রায় চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে অর্থাৎ তথাগতকে রুদ্র কিভাবে খুন করে তাও সবিস্তারে জানায় লাবণ্য।

এইসব শুনেই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও রীতিমতো রেগে যায় রুদ্ররূপ এবং মনে মনে সে ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করতে থাকে। লাবু বলে তাঁকে বিয়ে করা ছাড়াও রুদ্রর একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত ছিল।
এরপর কাঠগড়ায় আসে রোহিত। আর, তারপরেই তাঁর কেরিয়ারের সমস্ত কথা থেকে শুরু করে দিল্লির একাডেমিতে ঘটা নানান ঘটনার কথা বলতে থাকে। এছাড়াও, রুদ্র ঠিক কীভাবে ছাদ থেকে তথাগতকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিল, সেটাও বলে জজ সাহেবকে। কিন্তু, এতকিছু বলার পরেও রুদ্রর পক্ষের উকিল এই সব কথাই মিথ্যা বলে প্রমাণ করতে চায় এবং এই অভিযোগের উপযুক্ত প্রমাণও দেখতে চাই।
তবে, এই মামলার শেষ সাক্ষী দিল্লি থেকে আশা পুলিশ অফিসার পান্ডেজি রুদ্রর করা আরো অনৈতিক কাজকর্মের কথা বলে জজ সাহেবকে এবং রুদ্র সঙ্গে সমস্ত কুকর্মে জড়িয়ে থাকা জামাল ভাইকেও আদালতে এনে হাজির করা হয়। সমস্ত ঘটনা শোনার পর অবশেষে আদালত রুদ্রকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
আরও পড়ুনঃ প্রমাণ নিয়ে আদালতে হাজির ফুলকি-রোহিত! পালানোর আর কোন পথ নেই রুদ্রর! ফুলকির ওপর প্রতিশোধ নিতে একি করল সে!
এই ধারাবাহিকের পরবর্তী পর্বে দেখা যাবে, পুলিশরা রুদ্রকে নিয়ে পুলিশ ভ্যানে তুলতে যাওয়ার সময় সে ফুলকির দিকে পিস্তল তাক করে মারার চেষ্টা করলেও পিছন থেকে আচমকাই বড়মা এসে গুলি করে রুদ্রকে। বিনাশ হয় শত্রুপক্ষের, প্রাণহানী হয় রুদ্রর।
