Bangla Serial

পাকা গোয়েন্দা হয়ে উঠলো আনন্দী! অপরাধীকে হাতেনাতে ধরতে ফাঁদ পাতলো নায়িকা! আগামী পর্ব ফাঁস

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক আনন্দীতে চলছে এখন টান টান উত্তেজনা। বাড়ির মেজো ছেলে জড়িয়ে পড়েছে পরকীয়ায়। গল্পের শুরুতেই দেখা যায় আনন্দী (Anondi) বলছে “রুশা ভাবছে যে ও সব কিছু পেয়ে গেছে আর এটাই ও সব থেকে বড় ভুল করছে। অবশ্য, ভাবুক ও যত ভুল করবে আমারই তত সুবিধে হবে”। এইসব বলতে বলতে বিছানা গোছাতে থাকে নায়িকা আর ভাবতে থাকে তাঁর স্যার কেন এত কম কম কথা বলছে? তা বুঝতে পারছে না। এইসব বলে জল ভরার জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দেখা হয় স্যারের সঙ্গে আনন্দীর। এই সময় স্যার বলে ওঠে, সে আজ রাতে স্টাডি রুমেই শুয়ে পড়বে।

এই শুনে খানিকটা রেখে আনন্দী বলে ওঠে, “তা পড়াশোনা আপনি কি একা একা করবেন নাকি তিতির ম্যাডামকে ডেকে নেবেন”। অন্যদিকে পরের দিন সকালবেলা আনন্দী মনে মনে কথা বলতে বলতে আসার সময় দেখে রুশা ঘর বন্ধ করে মিউজিক চালিয়ে ব্যায়াম করছে। এই সময় আনন্দী বলে “বাহ্, নিজের তো খুব ভালোই ব্যবস্থা করে নিয়েছে। এদিকে ওনার জন্য একজন মরতে বসেছিল”। এরপরেই অবাক করা এক কান্ড দেখে আনন্দী। সে দেখে রুশা বন্ধ ঘরে স্কিপিং করছে। সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে মনের মধ্যে বলে ওঠে, “একি একি, চার মাসের প্রেগনেন্সির মধ্যে স্কিপিং। তার মানে তো সবটাই মিথ্যে। তারাওরুসা তোমার এই জালিয়াতির তিন মুখোশ যদি আমি না খুলেছি, তাহলে আমার নামও আনন্দী নয়” এই বলে সবাইকে ডাকতে যায় নায়িকা।

113592687

এরপর মা কাকিমা কে সঙ্গে করে নিয়ে এসে আনন্দী দেখে রুশা বসে বসে ব্যায়াম করছে। সবাই রুসার ঘরে চলে আসে একসঙ্গে এবং কাকিমনি তাকে জিজ্ঞাসা করে, “তুমি নাকি স্কিপিং করছ?” এই শুনে রুশা অবাক হয়ে যায়। সবাই একই প্রশ্ন করতে থাকে রুশাকে। এই সময় রুশা অনিন্দকে বলে, “তুমি জানো না এই প্রেগনেন্সি টা আমার জন্য কতটা ইম্পরট্যান্ট? যে আসছে সে তোমার আর আমার ভালোবাসার চিহ্ন”। আরো নানান ধরনের ইমোশনাল কথা বলে রুশা সবার সামনে আনন্দেকে মিথ্যে প্রমাণ করতে চায়। এই সময় আনন্দে নিজের পক্ষে যুক্তি তৈরি করে বলে ‘সে কি এতটাই পাগল যে মিথ্যে কথা সবাইকে বলে সবার সামনে নিজেকেই মিথ্যাবাদী প্রমাণ করবে’।

এতসব কিছু বলার পর আনন্দী সবার সামনেই ঘর জুড়ে স্কিপিং এর দড়ি খুঁজতে থাকে আর ডুশাকে বলে, “এই রুশা তুমি লুকোচুরি চ্যাম্পিয়ন ছিলেন গো। আমাদের একবারও ধাপ্পা দেওয়ার সুযোগও দিলেনা”। এই সময়ের রুশা বলে “মিথ্যে কথা বলব কেন ভালোবাসা স্বীকার করার জন্য মনে সাহস লাগে”। এত সবকিছু দেখেই কাকিমনি বলে ওঠে “ওর বাচ্চাটা যদি কিছু হয় না আনন্দী আমি তোমায় পুলিশে দেব”। সবকিছু মাঝেই একটু করে তিতির ম্যাডামও কথা বলতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ টলি পাড়ায় বিয়ের সানাই! গয়নার দোকানে লাখ টাকার কেনাকাটি! কবে সাত পাঁকে বাঁধা পড়ছেন তারকা জুটি?

এর কিছুক্ষণ পর জানাজা জামাইবাবু ঘরে এসে রোসাকে জিজ্ঞাসা করে, এই কাজটা কি করে করতে পারলো। এরপর ঊষা সমস্ত ঘটনাটা খুলে জামাইবাবুকে বলে। এই সময় জামাইবাবু কাকে বলে “একটা চাল জিতে আনন্দ করছো তো রুশা, কিন্তু আনন্দের মনের মধ্যে যে সন্দেহর দানাটা তুমি বেঁধে দিয়েছো সেটা কি হবে?”। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে আনন্দ এবং অনুশ্রী পরিকল্পনা করে যাচ্ছে কিভাবে রুশার সব ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দেওয়া যায়। রূপসার ঠিকানা ধরে খুঁজতে খুঁজতে তার কলেজে চলে যায় আনন্দী এবং অনুশ্রী। আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে তিতির এবং ডাক্তার বাবুর মধ্যে কথোপকথনের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে দর্শকদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন আনন্দে কি আদৌ রুশা সমস্ত ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে পারবে?

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন