এই মুহূর্তে জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। ধারাবাহিকের একেবারে শুরু থেকেই এই মেগার নায়িকা মাতিয়ে রেখেছিল দর্শক মহলকে। যত দিন যাচ্ছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটা পর্ব। তবে চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান হারিয়েছে এই ধারাবাহিক। দর্শকদের ধারণা আবারও নিজের জায়গায় ফিরবে ফুলকি।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, বহুদিন ধরে চলছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। রুদ্র ইশিতা এবং তাদের দলবল সবাই মিলে অন্যায় ভাবে ছন্দক মজুমদার নামক একজন সাধারণ ছেলের অনেক বড় ক্ষতি করে দেয়। শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটা নিরাপরাধ মেয়েকে খুন করে। এইসব কিছু জানার পরেও মুখ বুঝে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা ফুলকি। সে ঠিক করে তার ছন্দক দাদাকে সে ঠিক জেল থেকে বের করে আনবে।
আর এই কাজের ফুলকির পাশে এসে দাঁড়ায় তার গোটা দল। এইবার রোহিত পর্যন্ত ফুলকিকে বিশ্বাস করতে রাজি হয়। একে একে সমস্ত তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতে থাকে ফুলকি। আর তারপর চলে আসে সুনানির প্রথম দিন। আদালতে ঢুকে ধানসিঁড়ি বেশ ভয় পেয়ে যায় তার প্রতিপক্ষ উকিলকে দেখে। তার সামনে এমন নতুন একজন উকিল হিসেবে কিভাবে জয়লাভ করবে কিছুই ভেবে উঠতে পারে না ধানসিঁড়ি। কিন্তু ফুলকি তার মনে সাহস যোগায়।
রিপোর্ট বদলে দিলো রুদ্র!
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, জোর কদমে চলছে মামলার শুনানি। একে একে সমস্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণ পেশ করছে ধানসিঁড়ি। তার বিপক্ষে থাকা নামিদামি উকিলও সেসব দেখে হতভম্ব। সবটা বেশ সুন্দর করেই সাজিয়েছে ফুলটি এবং তার গোটা দল। এইবার তারা ভেবেছিল ছন্দক মজুমদারকে আর কেউ কারাগারে আটকে রাখতে পারবে না। কিন্তু সেই মুহূর্তে সবকিছু ঘেঁটে গেল।
ফুলকি ছন্দককে বলে, সেদিন যা যা হয়েছিল সব কিছু যেন বিস্তারিতভাবে খুলে বলে সে। এদিকে ধানসিঁড়ি এটা প্রমাণ করে দেয় জয়িতাকে যে হাতুড়ি দিয়ে মেরেছিল সে আসলে বাঁ হাতি। কিন্তু ছন্দক মজুমদার সেটা নন। এরপর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেশ করে ধানসিঁড়ি। কিন্তু বিচারক বলেন সেটা নাকি আসল রিপোর্ট নয়। এটা শুনে অবাক হয়ে যায় প্রত্যেকে। তবে কি আসল রিপোর্টটা বদলে দিয়েছে রুদ্ররূপ সান্যাল?
