জি বাংলার ‘ফুলকি’ এখন একেবারে জমে উঠেছে। প্রতি পর্বে নতুন মোড়, নতুন উত্তেজনা! ধারাবাহিকটা এমনিতেই জনপ্রিয়, আর এখন তো টানটান উত্তেজনায় দর্শকের চোখই নামছে না পর্দা থেকে।
সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে যেটা ঘটছে, তাতে একপ্রকার হাততালি দিতে মন চায় ফুলকির সাহস আর বুদ্ধিকে! প্রীতম কুমার অবশেষে মুখ খুলেছে — পুলিশের সামনে স্বীকার করে নিয়েছে, ব্যবসায়ী খুনের পেছনে ওরই হাত ছিল। মানে ফুলকি নির্দোষ, এটা এবার প্রমাণিত! রোহিত এই খবরটা অভিরূপকে জানায় — মানে, সেই ছদ্মবেশী রুদ্রকে। রুদ্র তো শুনেই হতবাক! ভাবে, আবারও ফুলকি বেঁচে গেল কীভাবে?
এর মধ্যেই রাজবাড়িতে শুরু হয় নৃসিংহ দেবের পুজোর আয়োজন — বড় রাজা নিজে আরতি করে, বড় রানি আবার ফুলকিকে শপথ করায় যেন আর কখনও এমন বিপজ্জনক ঝুঁকি না নেয়। কিন্তু ফুলকি কি আর চুপচাপ থাকতে জানে? অন্যায় দেখলেই তো সে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
পুজোর পর ফুলকি একা ভগবানের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে — “কে করছে আমার সঙ্গে এই শত্রুতা?” ঠিক তখনই রাজবাড়িতে প্রবেশ ছদ্মবেশী রুদ্রর। ফুলকির চোখে-মুখে সন্দেহ জেগেই উঠছে অভিরূপকে নিয়ে।
ফুলকির নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার খুশিতে রাজবাড়িতে শুরু হয় উৎসবের আমেজ — গান, খাওয়াদাওয়া, আনন্দে ভরপুর একদিনের প্ল্যান।
এই ফাঁকেই এক টানটান মোড় — বিরোধী দলনেত্রী সুনন্দা দেবী হঠাৎ ফুলকিকে ফোন করেন। জানালেন, তিনি ফুলকিকেই রাজমহলের প্রার্থী করতে চান! প্রথমে বলেছিলেন, সভায় নিজে আসতে পারবেন না, ভিডিও কলে থাকবেন। কিন্তু হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল — বললেন, তিনি নিজেই রাজবাড়িতে আসবেন, তবে এই খবর যেন কাউকে না জানানো হয়!
ফুলকি প্রমিস করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। কিন্তু এই ফোনালাপের সময় আড়াল থেকে সবটা শুনে ফেলে রুদ্র! আর এটাই তার কাছে সোনায় সোহাগা — এবার সে ফুলকির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে মরিয়া। ঠিক করে ফেলল, সুনন্দাকে মারার প্ল্যান — আর তাই রাজকীয় ভোজে পায়েসে মেশানো হল বিষ।
আরও পড়ুনঃ নিভে যায়নি জগদ্ধাত্রী! নিজের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে শত্রুদের ফাঁদে ফেলল জ্যাস সান্যাল!
কিন্তু এখানেই চমক — ফুলকি ঠিক সময়ে বুঝে ফেলে ফাঁদ! বিষময় পায়েস খেয়ে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারাতে হলো না সুনন্দাকে। এখন প্রশ্ন, এরপর কী করবে রুদ্র? আর ফুলকি কি ধরতে পারবে কে এই ছদ্মবেশী শত্রু? আগামী পর্বে আরও ধামাকা হতে চলেছে, সেটা একরকম নিশ্চিত!
