জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ এখন দর্শকদের কাছে যেন একেবারে নেশার মতো। প্রতিটি পর্বেই থাকছে টানটান উত্তেজনা, নতুন নতুন মোড় আর চমক। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই টিআরপির শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে এই সিরিয়াল। দর্শকরা যেন চোখের পলক ফেলতেও ভয় পান, যদি কোনো দৃশ্য মিস হয়ে যায়।
সাম্প্রতিক পর্বে দেখা গিয়েছে, অভিরূপ লাবণ্যকে বিয়ে করতে চাইছে আর তাতে দেরিও হচ্ছে না। কিন্তু ফুলকি ভালোমতোই জানে, এই মানুষটা আসলে যেই পরিচয় দিচ্ছে তা সত্য নয়। তাই অভিরূপের মুখোশ খুলে ফেলার জন্য প্রমাণ জোগাড় করতে বেরিয়ে পড়ে সে। রোহিতকে সঙ্গে নিয়ে অভিরূপের বাড়িতে গিয়ে খুঁজতে থাকে কোনো সূত্র। প্রথমে কিছু না পেলেও হঠাৎই চোখে পড়ে যায় এক সাধারণ বাংলা বাথরুম। অথচ, যে মানুষ কোমরের চোটের কারণে ঠিকমতো হাঁটতেই পারে না, সে কীভাবে ওই বাথরুম ব্যবহার করবে? এখানেই ধরা পড়ে যায় অভিরূপের আসল রহস্য।
এদিকে বিয়ের মণ্ডপে লাবণ্যর সঙ্গে বসতে চলেছে অভিরূপ। সবাইকে ফাঁকি দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের চেষ্টা করছে সে। রুদ্রর আসল মুখোশ এভাবেই আরও একবার ধরা পড়তে চলেছে, যদিও তখনো কেউ টের পায়নি। কিন্তু ফুলকি এবার কিছুতেই হাল ছাড়ার পাত্র নয়। রোহিতকে নিয়ে মণ্ডপে পৌঁছে যায় সে এবং সবাইকে চমকে দিয়ে সামনে আনে সাপের ঝুড়ি। যখন সাপ বেরিয়ে আসে, তখন নিজের অজান্তেই উঠে দাঁড়ায় ছদ্মবেশী রুদ্র। আর সেখানেই দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায় সত্যি।
ফুলকি সবার সামনে জানিয়ে দেয় কিভাবে তারা বাড়িতে গিয়ে বাথরুম দেখেছিল আর কিভাবে লাবণ্যর নামে বদনাম রটাতে টাকাও বিলিয়েছিল রুদ্র। শেষমেশ পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায় তাকে। লাবণ্যও কেঁদে কেঁদে ফুলকির কাছে ক্ষমা চায়। আরেকবারও বিপদ থেকে রক্ষা করল ফুলকি তাকে।
আরও পড়ুনঃ ঋষভের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসলে দুর্গা! দুর্গাকে দেখে তো হতবাক আর ঋষভের বাবা-মা! তবে কি জেনে গেল দুর্গার পরিচয়?
তবে এখানেই শেষ নয়। ঠিক যখন মনে হচ্ছিল সব শান্ত হবে, তখনই নতুন মোড় নিয়ে হাজির হয় পুরনো শত্রু। ছোট রাজকুমারের বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজমহলে ফিরে আসে ঈশিতা। তার হঠাৎ আগমন যে ফুলকির জীবনে আবার ঝড় তুলবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার অপেক্ষা, আগামী পর্বে কী নতুন খেলা শুরু করে ঈশিতা।
