জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এবার নতুন মোড়ে। রায়ান আর পারুলের মিষ্টি খুনসুঁটি দর্শকদের বরাবরই টানে, কিন্তু এর মাঝেই জমে উঠেছে টানটান উত্তেজনা। গত পর্বেই দেখা গেল, পারুলের বোন টগর বিয়ের জন্য একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বড়লোক বাড়ির ছেলের সাথে বিয়ে করতে চায় সে, অথচ সেই ছেলের পরিবার বিয়ের আগে দামী বাইকের দাবি করে বসে। পারুলের বাবা সেই খরচ বহন করতে না পারায় সম্পর্ক ভেঙে যায়। এই ঘটনায় টগর বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়, যদিও শেষমেশ পারুল তাকে খুঁজে এনে সবার সামনে বকাঝকা করে।
কিন্তু এখানেই থেমে যায়নি ঝামেলা। টগর স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সে ওই ছেলেকেই বিয়ে করবে, না হলে কারও সাথে নয়। পরিবারের আপত্তি থাকলে আবার পালিয়ে যাবে বলেও হুমকি দেয়। বাবা-মাকে নানা কথা শোনাতে থাকে, এমনকি গয়নার দাবিও তোলে। এই পরিস্থিতিতে পারুল বোনকে প্রতিশ্রুতি দেয়, যেভাবেই হোক তার বিয়ে ওই ছেলের সাথেই দেবে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনীয় টাকা, এমনকি তিন লক্ষ টাকা জোগাড় করার দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নেয় পারুল।
কিন্তু এত টাকা কোথা থেকে আসবে? এই নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায় সে। দাদু কিংবা বসু বাড়ির কাছ থেকে সাহায্য নিতেই নারাজ পারুল। মল্লার আর রায়ানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তার সাথে ঝগড়াও বেঁধে যায়। এর মাঝেই ফোন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, যেখানে তাদের ডাকা হয় পরের দিন। সবাই ভাবে, হয়তো নতুন কোনো সুযোগ অপেক্ষা করছে সেখানে।
পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তারা জানতে পারে, একটি নতুন কোল্ড ড্রিংকস কোম্পানি বাজারে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছে। এখন সেই সমস্যার সমাধান চাইছে তারা। যেই সমাধান দিতে পারবে, তাকে দেওয়া হবে তিন লক্ষ টাকা পুরস্কার। এই খবর শোনার পর খানিকটা নিশ্চিন্ত হয় পারুল। বোনের বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় টাকাটা হয়তো এভাবেই হাতে আসতে পারে বলে আশা করে সে।
আরও পড়ুনঃ অভিরূপের মুখোশ খুলে লাবণ্যকে রক্ষা করল ফুলকি! রাজমহলে ফিরে এলো পুরনো শত্রু ঈশিতাতবে এখানেই শেষ নয় গল্প। শিরিনের ষড়যন্ত্রে এবার নতুন বিপদ নামতে চলেছে রায়ান আর পারুলের জীবনে। পারুল কি সত্যিই তিন লক্ষ টাকা জোগাড় করতে পারবে? নাকি বোনের বিয়ের জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে আরও বড় ফাঁদে পা দেবে সে? পরের পর্বেই মিলবে সেই উত্তরের ঝলক।
