‘ফুলকি’ দেখছেন? তাহলে আপনি জানেন, এখন কী দারুণ টানটান পর্ব চলছে! টিআরপি-র শীর্ষে থাকা এই মেগা সিরিয়ালে এবার গল্প মোড় নিয়েছে খুন আর চক্রান্তের দিকে।
সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনায় এক নামী ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন। আর কাকতালীয়ভাবে, ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই সেই অফিস থেকে বেরিয়ে আসে ফুলকি। তার পরেই উদ্ধার হয় মৃতদেহ। শুধু তাই নয়—ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে ফুলকির হাতের ভাঙা কাচের চুড়ির টুকরো!

তাতেই শুরু হয় হইচই। পুলিশের চোখে এখন প্রাইম সাসপেক্ট ফুলকি। এলাকার লোকজন, মিডিয়া—সবাই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকী ছোট রানীর দলও যেন এই সুযোগটাই খুঁজছিল ফুলকিকে নিচে নামানোর!
অন্যদিকে খবরটা পৌঁছোয় রোহিতের কাছে। সে তো কিছুই জানতো না! ফুলকি ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছে, সেটা পর্যন্ত জানানো হয়নি রোহিতকে। রাগে ফুঁসছিল সে, কিন্তু তবুও ফুলকির পাশে দাঁড়ায়।
অংশু, যিনি তদন্ত করছেন, তিনিও প্রথমে সন্দেহ করলেও ফুলকিকে অন্তত গ্রেফতার হওয়া থেকে বাঁচাতে চায় যতক্ষণ না ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে আসছে। আর তাই সে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেয় রোহিত আর ফুলকির সঙ্গে। ফুলকি সব খুলে বলে—বলেন, সে বেরিয়ে আসার সময় ব্যবসায়ী একদম ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু পরে জানা যায়, লোকটা মারা গেছে বুকের মধ্যে জোরে ঘুষির আঘাতে।
আর এখানেই টুইস্ট!
ফরেনসিক রিপোর্টে নাকি ফুলকির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেছে। সেই ছবি পৌঁছে যায় রোহিতের হাতে। রোহিত সোজা চলে যায় তাদের পরিচিত এক ডাক্তারবন্ধুর কাছে, যিনি রিপোর্ট দেখে এক আশ্চর্য তথ্য দেন—এই খুন কোনো সাধারণ ঘুষিতে হয়নি। খুনী হাতে ভারী ধাতব কিছু পরে ছিল। এমন মার যে দিতে পারে, তাকে রোহিত খুব ভালো করেই চেনে!
আরও পড়ুনঃ শত্রু পক্ষের প্ল্যান আগেই ধরে ফেলল জগদ্ধাত্রী! নিশানায় দুর্গা, ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!
তাতেই সব পরিষ্কার হয়ে যায় রোহিতের কাছে। আর এক মুহূর্ত না দেরি করে, ফুলকিকে নিয়ে রওনা দেয় খুনীকে ধরতে! এবার বড় প্রশ্ন—রোহিতের সন্দেহ কি ঠিক? সত্যিই কি খুনী হাতের নাগালেই ঘুরছে? আর ফুলকি কি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবে? সবটা জানতে হলে চোখ রাখতেই হবে পরের পর্বে!
