ঘটনাটা ঠিক কী?
ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা নতুন করে আবার রায়ান-পারুলের কম্পিটিশনের সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ, আগের লেখাগুলো নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। প্রিন্সিপাল শিরিনকে চাপ দেন—আগের লেখাগুলো কোথায় গেছে জানাতে। শিরিন প্রথমে কিছু লুকোলেও শেষে ডরে গিয়ে সত্যি কথা বলে—ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন লেখাটা। সঙ্গে সঙ্গে ডাস্টবিন ঘেঁটে বের করে আনা হয় পারুলের সেই লেখা। আর সেটা পড়ে সবাই চমকে ওঠে—এক কথায় অনবদ্য!
এতটাই ভালো লিখেছে পারুল, রায়ান নিজেই মেনে নেয়—ওর লেখার থেকে অনেক ভালো। কম্পিটিশন হলে পারুল-ই জিতত! এই স্বীকারোক্তির পর প্রিন্সিপাল সাহেব সরাসরি পারুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

বোর্ডে এবার নাম উঠল পারুলের, আর রায়ানের নাম নামিয়ে দেওয়া হল। এই ঘটনা মানতে পারছে না রায়ান। এক সময় সবার চোখের মণি ছিল সে, আজ কেউ তাকাচ্ছেও না তার দিকে। সবার মুখে একটাই নাম—পারুল!
চোখের সামনে সব কিছু হারাতে হারাতে রায়ান যেন ভেঙে পড়েছে। দূরে দাঁড়িয়ে শুধু তাকিয়ে থাকে পারুলের জয় উদযাপন দেখতে দেখতে। অথচ পারুল বুঝতে পারে, রায়ান ঠিকঠাক নেই।
সবাই চলে যাওয়ার পর পারুল মুখোমুখি হয় রায়ানের। জিজ্ঞেস করে—তুই এত চুপচাপ কেন? রায়ান মুখে বলে—সে খুশি, পারুল জিতেছে, কিন্তু আসলে তার মন বলছে—যে ইউনিভার্সিটিতে এতদিন সে রাজত্ব করেছে, সেখানে এখন পারুলের নাম! আর বাড়িতেও তো তার কোনও গুরুত্বই নেই।
রায়ান তাই স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—সে ফিরবে, পারুলকে হারিয়ে তার নিজের জায়গা আবার ছিনিয়ে নেবে।
আরও পড়ুনঃ ফুলকি-তে নতুন চমক: খুনের অভিযোগে কোণঠাসা ফুলকি, আসল খুনি খুঁজতে রওনা দিল রোহিত!
ওদিকে পারুলের মন কিন্তু খুশিতে ভরে নেই। কারণ, সে জানে—রায়ান আবার ভুল বুঝছে ওকে। পারুল জানে, ও এই পুরস্কারটা ডিজার্ভ করে। তাই পিসিমণিকে সবটা শেয়ার করে। পিসিমণি সোজা কথা বলে—রায়ানের ইগোতে ঠেকে গেছে, এবার দ্বিগুণ শক্তিতে ফিরে আসবে সে। তাই এখন প্রশ্ন একটাই—পারুল কি সামলাতে পারবে রায়ানের এই ঘৃণা আর প্রতিশোধের ঝড়? আগামী পর্বেই মিলবে উত্তরের ইঙ্গিত!রায়ান ফিরল দ্বিগুণ ঘৃণা নিয়ে! এবার পারুলকে হারাতে মরিয়া দাদুর নাতি!
