জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি এখনো দর্শকদের প্রথম সারির বিনোদন দিচ্ছে। প্রায় তিন বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলা এই সিরিয়াল প্রতিদিনই নতুন টুইস্টে ভরপুর। টিআরপি তালিকায়ও ধারাবাহিকটি দারুণভাবে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। এবারও গল্পের মোড় ঘুরছে একেবারে অন্য পথে।
সাম্প্রতিক পর্বে দেখা গেছে, মন্ত্রীকে আটকে রেখে ফুলকি বড় রাজার খোঁজ জানতে চায়। না জানালে বিদ্যুৎ শক দেওয়ার হুমকিও দেয় সে। মন্ত্রী প্রথমে কিছুই স্বীকার না করলেও শেষে ভয়ে সব বলে ফেলে। এমনকি দলের লোকজনকেও ফোন করে জানিয়ে দেয় বড় রাজাকে ছেড়ে দিতে। এরপরই বড় রাজা নিরাপদে ফিরে আসে, তবে পুলিশ মন্ত্রীর খোঁজ পেলেও ফুলকি তাকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়।

এদিকে রুদ্রও বসে নেই। ফুলকিকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না দেওয়ার জন্য সে নতুন ফাঁদ পাতে। তিওয়ারির মাধ্যমে পাঠানো হয় ফুলের তোড়া, যার ভেতরে মেশানো ছিল অজ্ঞান করার ওষুধ। ধানু প্রথমে সন্দেহ করলেও পরে ভুল বোঝে এবং অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপরই তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পাহাড়পুরের পতিতালয়ে।
ধানুর হদিশ না মেলায় বাড়ির সবাই চিন্তায় পড়ে যায়। তখন আদিত্য জানায় ধানুর ফোনে একটি ট্র্যাকার অ্যাপ ইনস্টল করা ছিল, যার শেষ লোকেশন পাহাড়পুর। খবর শুনে রোহিত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সে প্রতিজ্ঞা করে ধানুকে যেভাবেই হোক ফিরিয়ে আনবে। শেষমেশ পাহাড়পুরে পৌঁছে ধানুকে উদ্ধারও করে ফেলে সে।
আরও পড়ুনঃ দাদুর প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া রায়ান- পারুল! শিরিনের মায়ের ষড়যন্ত্রে অন্ধকারে অপারেশন থিয়েটার
অন্যদিকে ফুলকি এবার ছোট রাজকুমারের সামনে দাঁড়িয়ে তাকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। শুধু তার অন্যায় ফাঁস করবে না, বরং দলের ভেতরে যে শত্রু বন্ধু সেজে লুকিয়ে আছে, তার মুখোশও খুলে দেবে ফুলকি। এখন দেখার পালা, এই নতুন লড়াই কোথায় গিয়ে পৌঁছায়।
