জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এখন টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। রায়ান আর পারুলের মিষ্টি খুনসুঁটি যেমন দর্শকদের মন জয় করছে, তেমনি একের পর এক চমকও ধরে রাখছে কাহিনি। সাম্প্রতিক পর্বে দেখা গেল দাদুকে কেন্দ্র করে বড় বিপদ নেমে এসেছে বসু বাড়িতে।
সকালে মর্নিং ওয়াকে বেরোনোর সময় দাদুর দিকে গাড়ি ছুটিয়ে দেয় শিরিনের মায়ের পাঠানো লোক। উদ্দেশ্য একটাই—অ্যাক্সিডেন্ট সাজিয়ে দাদুকে মারাত্মক আঘাত করা। পারুল তখন মাফলার হাতে দাদুর দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু চোখের পলকেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দাদু।

আতঙ্কিত পারুল সঙ্গে সঙ্গে রায়ানকে ফোন করে খবর দেয়। দাদুকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে ঠাম্মি থেকে শুরু করে পরিবারের সকলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দাদুর অবস্থা দেখে কারওই চোখের জল থামছে না। ওইদিকে শিরিনের মা খবর পেয়ে আরও এক ধাপ ষড়যন্ত্রের ফন্দি আঁটেন—এই সুযোগে রায়ানকে শিরিনের হাতে নিয়ে আসতে হবে।
হাসপাতালে ডাক্তাররা জানায়, দাদুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রয়োজনে অপারেশন করতে হবে, তবে সেই ঝুঁকি অনেক বড়। তখনই কলকাতার দুই নামকরা ডাক্তারকে আনার সিদ্ধান্ত হয়। আর ঠিক সেই সময়ই হঠাৎ পুরো নার্সিংহোম অন্ধকারে ঢেকে যায়। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অপারেশন শুরু করাই যায় না।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির ভুলে বিপদে ধানু! রুদ্রর ফাঁদে আটকা পড়ে পতিতালয়ে, বোনকে বাঁচাতে কি করবে রোহিত?
রায়ান আর পারুল হাল ছাড়তে রাজি নয়। ডাক্তারদের সময় চাইতে বলে পারুল—“আমাদের ১৫ মিনিট দিন, বিদ্যুৎ ফেরানোই হবে।” এবার দেখার অপেক্ষা, দাদুর জীবন বাঁচাতে কি সত্যিই পারবেন রায়ান আর পারুল, নাকি শিরিনের মায়ের ষড়যন্ত্রেই হেরে যাবে তারা।
