বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে ফুলকি (Phulki) সব সময়ই দর্শকদের টানতে পেরেছে। প্রতিদিনের টানটান উত্তেজনা আর নায়ক-নায়িকার কেমিস্ট্রি এই ধারাবাহিককে করেছে আরও জমজমাট। সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে ঘটেছে একের পর এক চমক, আর সেই ঘটনাই এখন ঘিরে রয়েছে উত্তেজনা।

কাহিনির মোড় ঘুরেছে যখন পরিকল্পনা মতো নামকীর্তন শুরু হয়। ফুলকি-রোহিত মন্ত্রীর বাড়িতে গোপনে ঢুকে পড়ে। অন্যদিকে ভোম্বল আর রানুকে নিরাপদে বের করা হয়। মন্ত্রীর অজান্তেই সাজ বদল করে ফুলকিরা তাকে অজ্ঞান করে কিডন্যাপ করে ফেলে। চতুরতার সাথে নোংরা পরিষ্কার করার ভান করে তমাল আর পিয়াল মন্ত্রীকে নিয়ে বেরিয়ে আসে। শেষে সবাইকে ফাঁকি দিয়ে রোহিত-ফুলকি মন্ত্রীকে বন্দি করে।
মন্ত্রী জ্ঞান ফেরার পর হতভম্ব হয়ে যান। কিভাবে অপহৃত হলেন কিছুই বুঝতে পারেন না। ফুলকি তখন সরাসরি জানিয়ে দেয়—বড় রাজার খবর না দিলে মুক্তি নেই। এমনকি শক দেওয়ার হুমকিও দেয় সে। ভয়ে শেষমেশ স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হন মন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ দুর্গাকে সাবধান বার্তা দিল জগদ্ধাত্রী! মিউজিক ফেস্টিভেলেই পাতা হল দুর্গার ম’রণ ফাঁদ!
কিন্তু এদিকে ধানুর বিপদ ঘনিয়ে আসে। রুদ্র ধানুকে টোপ দিয়ে অজ্ঞান করে পাঠিয়ে দেয় পাহাড়পুর পতিতালয়ে। ধানুর ফোন ট্র্যাক করে এই খবর পায় আদিত্য। আর রোহিত যখন জানতে পারে তার বোন এমন বিপদে, তখন সিদ্ধান্ত নেয় সবকিছু শেষ করে দেবে। রোহিত এখন প্রতিজ্ঞা করেছে, যারা ধানুকে এই অবস্থায় ফেলেছে তাদের কাউকেই ছেড়ে কথা বলবে না। এবার দেখার, বোনকে বাঁচাতে রোহিত কী পথে এগোয় আর রুদ্রর ফাঁদ থেকে ধানু আদৌ মুক্তি পায় কিনা।
