Bangla Serial

দাদুকে বাঁচাতে আবারো বিয়ের আসরে পারুল-রায়ান! শিরিনের মুখে কালি, নতুন মোড় পরিণীতায়

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা (Parineeta) এখন একেবারে টানটান জায়গায় দাঁড়িয়ে। রাত আটটা বাজলেই টিভির সামনে বসে পড়েন দর্শক, যেন একটা পর্বও মিস না হয়। এবার গল্প ঘুরে গেল দাদুর জীবন বাঁচাতে, আর সেই পথেই জড়িয়ে গেল পারুল আর রায়ানের নতুন বিয়ের কাহিনি।

গত পর্বে দেখা গেছে, শিরিন মায়ের কথায় ছুটে আসে নার্সিংহোমে। তখন ডাক্তাররা জানাচ্ছে, দাদুর এখনো জ্ঞান ফেরেনি, অবস্থাও গুরুতর। শিরিন রায়ানকে সান্ত্বনা দিতে এলে, পারুলের সন্দেহ হয়—ও দাদুর দুর্ঘটনার খবর জানল কীভাবে? তবে তখনকার আবেগী পরিস্থিতিতে শিরিন কথার জোরে বিষয়টা সামাল দেয়।

এরপরেই আসে আসল টুইস্ট। হঠাৎ গোটা নার্সিংহোমের বিদ্যুৎ চলে যায়। ডাক্তাররা সাফ জানিয়ে দেন—১৫ মিনিটের মধ্যে কারেন্ট না ফিরলে দাদুকে আর বাঁচানো সম্ভব নয়। তখন পারুল এগিয়ে আসে। মাথায় আসে ফিজিক্সের বুদ্ধি—হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলির ব্যাটারি জড়ো করে বিদ্যুৎ তৈরি করে ফেলে সে। রায়ানও পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করে, আর সবাই একসাথে পারুলের প্ল্যান সফল করে তোলে।

বিদ্যুৎ ফিরে আসতেই আবার শুরু হয় দাদুর অপারেশন। সবাই পারুলের ধৈর্য আর বুদ্ধির প্রশংসা করতে থাকে। শিরিন অবশ্য বসে থাকেনি, এইসব ছবি তুলে তার মাকে পাঠায়। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি, কারণ এবার পরিস্থিতি একেবারেই পারুলের পক্ষে।

আরও পড়ুনঃছোট রাজকুমারকে চ্যালেঞ্জ, এবার শত্রুর মুখোশ খোলার পালা, নতুন লড়াইয়ে নামল ফুলকি

তবুও অপারেশনের পর দাদুর অবস্থা আশানুরূপ ভালো হয় না। তখন মল্লার দাদুকে জানায়, রায়ান আর পারুলের মধ্যে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটে গেছে, তারা আবার বিয়ে করছে। যদিও পারুল-রায়ান নিজেরাই এই বিয়েতে রাজি নয়। এখন দেখার বিষয়, পরের পর্বে এই হঠাৎ বিয়ের মোড় গল্পটাকে কোথায় নিয়ে যায়।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন