Bangla Serial

শিরিনের ফাঁদে পা দিচ্ছে পারুল? গুরুদেবের ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে চরম উৎকণ্ঠা! “পরিণীতা”-তে মোড় ঘোরানো নতুন রহস্য

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এখন এমন এক জায়গায় এসে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত যেন একেকটা ধাক্কা! রাত আটটা বাজলেই টিভির সামনে বসে পড়েন দর্শকেরা — কারণ এই সিরিয়ালে এখন যা চলছে, তা চোখের পলক ফেলতে দিচ্ছে না!

গতকালের এপিসোডে পারুলকে ঘিরে একদিকে যেমন আনন্দ-উৎসব, অন্যদিকে ঠিক ততটাই চাপে তার মন। সবাই তার জয় উদযাপন করছে, কিন্তু রায়ানের মুখে স্পষ্ট অভিমান। পারুল বুঝতে পারছে রায়ান তাকে ভুল বুঝেছে, ভাবছে, জোর করে তার সাফল্য কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অথচ সত্যিটা হলো — পারুল এই পুরস্কারের যোগ্য, আর সেটাই সবাই মেনেছে।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 2 August, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ২ অগাষ্ট আজকের পর্ব

পিসিমণি, সবসময়ের মতো পারুলের মনের কথা বুঝে ফেলে। পারুল যখন সব খুলে বলে, তখন পিসিমণি তাকে সাবধান করে — “রায়ান এবার দ্বিগুণ জেদ নিয়ে তোকে হারাতে চাইবে। প্রস্তুত থাক।”

তবে সবার জন্যই এটা ভালো — কারণ এতদিন রায়ান নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিরিয়াস ছিল না, এবার সে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবে। তবে সতর্কবাণীও দিয়ে দেন তিনি —
“রায়ানকে ভালো করতে দে, কিন্তু নিজের জায়গা থেকে পিছিয়ে যাবি না।”

এদিকে শিরিনের বাড়ি আলাদা আগুনে জ্বলছে।শিরিনের বাবা তার কাজকর্মে এতটাই হতাশ, যে সামনে সবাইকে নিয়ে তাকে তিরস্কার করেন।আর এই অপমান শিরিন কিছুতেই নিতে পারে না।
তার মনে হচ্ছে, পারুল তার জীবনটাই ধ্বংস করে দিয়েছে — রায়ানকে কেড়ে নিয়েছে, বাবার বিশ্বাসটাও কেড়ে নিয়েছে।

আর তখনই শিরিনের মা যেটা বলে, তাতে দর্শকরাও চমকে ওঠে —”পারুলকে যদি সরাতে হয়, সেটা করতেই হবে।”নিজের অতীতের দৃষ্টান্ত টেনে মা জানায়, তিনিও এক গর্ভবতী মহিলাকে সরিয়ে নিজের জায়গা দখল করেছিলেন!

আরও পড়ুনঃ ফুলকি-রোহিতের বিরুদ্ধে ফেরার তকমা! খুনের কিনারা করতে গিয়ে রুদ্রর মরণ ফাঁদে পা দিল দম্পতি!

শিরিন এবার আর থামে না। সোজা রায়ানের কাছে যায়, কিন্তু রায়ান তাকে দেখতেই চায় না।
তার চোখে শিরিনের বিশ্বাসঘাতকতা স্পষ্ট।আর চমক তখন — রায়ানের মা জানায়, সব শিরিনকে তিনি করতে বলেছিলেন!এই কথায় রায়ান যেন ভেঙে পড়ে — “নিজের মা কীভাবে এমনটা করল?”

সেই মুহূর্তে পারুলের প্রবেশ। সোজাসাপটা সে জানিয়ে দেয় —”আমার পিছনে লেগে লাভ নেই। যদি দাদুর উপর রাগ থাকে, সরাসরি বলুন। আমি দাদুর সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস রাখি।”দাদু বুঝতে পারেন, রায়ান আর পারুলের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। কিন্তু কিভাবে আবার তাদের এক করা যাবে, বুঝে উঠতে পারেন না তিনি।

পরের দিন পারুল ও ঠাকুমা যায় গুরুদেবের আশ্রমে।সেখানে গুরুদেব পারুলের হাত দেখে বলেন —”তোমার জীবনে এক বড় সত্য সামনে আসছে, খুব শিগগিরই।”ঠিক সেই সময় শিরিনও সেখানে উপস্থিত —আর গুরুদেব তাকে একেবারে সাফ জানিয়ে দেন —”নিয়তির সঙ্গে খেলো না।”

এবার প্রশ্ন উঠছে —পারুলের জীবনের সেই ‘ধ্রুব সত্যি’টা ঠিক কী? আর শিরিন কি সত্যিই পারুলকে কোনো ফাঁদে ফেলতে চলেছে? নাকি এবার নিয়তি নিজেই খেলা দেখাবে? এই টানটান উত্তরের অপেক্ষা থেকেই যাচ্ছে — কারণ পরিণীতা এখন গল্পের এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে, যেখান থেকে ফিরে আসা আর সহজ নয়!

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন