জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি দিনে দিনে যেন আরও জমে উঠছে। গল্পের মোড় ঘুরছে একের পর এক নাটকীয় ঘটনায়। এখন যা চলছে, তা যেন একদম থ্রিলার সিনেমার মতন—নায়ক-নায়িকা রীতিমতো মৃত্যু ফাঁদে পা দিচ্ছে।
গত ক’টি পর্বে যা দেখা গেল, তাতে রীতিমতো টানটান উত্তেজনায় দর্শক। ফরেনসিক রিপোর্ট থেকে রোহিত বুঝে গেছে, যে খুন হয়েছে তা সাধারণ কোনো মারধর নয়—খুনি কারও বুকে ভারী ধাতব বস্তু পরা হাতে ঘুষি মেরেছে। আর এমন মার একটাই লোক চালাতে পারে, যাকে রোহিত ভালোই চেনে—প্রীতম কুমার! সে একসময় বক্সার ছিল, কিন্তু নিষিদ্ধ ধাতব বস্তু দিয়ে খেলার জন্য বিতাড়িত হয়।

সেই সূত্র ধরেই রোহিত ও ফুলকি ছুটে যায় ফাজিমপুরার দিকে। উদ্দেশ্য একটাই—অপরাধীর খোঁজ পেতে হবে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ওয়ারেন্ট বেরিয়ে গিয়েছে, ফুলকিকে তো পরদিনই গ্রেফতার করার কথা! তাই কড়া পাহারার মধ্যেও লুকিয়ে পালানো ছাড়া আর উপায় ছিল না। লাবণ্যর সাহায্যে তারা প্ল্যান করে ফেলে—টিকিট, হোটেল, সব ফিক্সড! তারপরই সোজা ফাজিমপুরা।
তবে এত দূর এসে আবার দুশ্চিন্তায় পড়ে ফুলকি। ভাবে, প্রীতম হঠাৎ রাজমহলে গিয়ে কেন খুন করতে যাবে? আর যদি আসল খুনি এখনো তাদের কাছাকাছিই থাকে, তখন? সন্দেহ বাড়তে থাকে। এই সময় রোহিতের এক পুরোনো পরিচিত জানায়—ভান্ডারগঞ্জে এক গুদাম ঘরে প্রীতম নাকি একটা আন্ডারগ্রাউন্ড বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। মানে, প্রীতম এখানেই আছে!
এদিকে খলনায়ক রুদ্রও থেমে নেই। লাবণ্যের অফিসে এসে ওর ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে জেনে নেয় রোহিত আর ফুলকির প্ল্যান। তারপর সোজা চলে যায় ফাজিমপুরা! ঘটনাক্রমে, সেখানেই এক নাইট ক্লাবে ছদ্মবেশে ছিল রোহিত-ফুলকি। কিন্তু রুদ্র তাদের চিনে ফেলে—ছদ্মবেশ কাজেই এল না।
আরও পড়ুনঃ খেলার ময়দানে নামল জগদ্ধাত্রী! দেবীপক্ষ সূচনার আগেই হবে অসুর বধ! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
এবার প্রশ্ন একটাই—রুদ্র কি এবার সত্যিই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে? প্রীতমের মুখোমুখি হতে পারবে ফুলকি-রোহিত? নাকি ধরা পড়বে পুলিশের হাতে? সব প্রশ্নের উত্তর দেবে আগামীর এপিসোড। এখন শুধু অপেক্ষা—আরও বড় টুইস্ট আসছে নিশ্চিত!
