রায়ান-পারুল জুটিকে দর্শকরা ইতিমধ্যেই বেশ পছন্দ করে ফেলেছেন। প্রতিদিন রাত আটটায় টিভির সামনে বসে থাকেন ভক্তরা, আর প্রতিদিনই থাকে নতুন চমক। গত পর্বে দেখা গেল, শিরিন তার মাকে সব ঘটনা খুলে বলেছে। মাও ঠিক করল সরাসরি ওই ম্যাডামের সাথে দেখা করবে। এর মধ্যেই শিরিনের ডাক্তার বন্ধু ফোন করে জানাল, ল্যাবে তার বাবার আর পারুলের রক্তের ডিএনএ মেলানো হয়েছে, আর ফলাফল—৫০ শতাংশ মিল। এই খবরে মা-মেয়ে দুজনেই হতবাক।
শিরিন সন্দেহ করে, পারুল আসলে তার বাবার প্রথম জীবনের সন্তানের হতে পারে। কিন্তু সে মুখে মানলেও মনে নিতে পারছে না, তাই প্রমাণের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তার প্ল্যান—পারুলের চুল বা নখ সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট করানো।

সেই জন্যই শিরিন চুপিচুপি রায়ানদের বাড়িতে ঢুকে পারুলের ঘরে ঢোকে। কিন্তু পারুল সেটা টের পেয়ে পেছন পেছন যায়। চুলের স্যাম্পেল নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে শিরিন। দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়, এমনকি শিরিন হাত তুলতে যায়। ঠিক তখনই রায়ান এসে শিরিনকে থামিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। যদিও শিরিন তার আসল উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে।
পরের দিন শিরিন তার মাকে নিয়ে অফিসে আসে। অফিসের ম্যাডাম তার মায়ের বন্ধু, তাই বড় অন্যায় করেও শিরিনকে ফের চাকরিতে নেওয়া হয়। পারুল এটা দেখে ক্ষেপে ওঠে, সরাসরি প্রতিবাদ করে। কিন্তু উল্টে ম্যাডামই পারুলকে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। পারুল তাতে ভয় না পেয়ে নিজেই চাকরি ছেড়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ রাখির দিন ধরা পড়ল মুখোশধারী! নৃসিংহ দেবের ইশারা মেনে ফাঁস রহস্য, অভিরূপের আসল চেহারা দেখল ফুলকি!
প্রজেক্ট শেষে রায়ান সেরা ফল করে, আর তাতে পারুল খুশি হয়। কিন্তু সে খেয়াল করে রায়ান তুর্যর বানানো কফির প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। সন্দেহ জাগতেই কফি পরীক্ষা করানো হয়, আর তাতে ড্রাগ মেলে। এখন দেখার বিষয়, তুর্যর বিরুদ্ধে পারুল কী পদক্ষেপ নেয়।
