Bangla Serial

রুদ্রর সব চাল আগেভাগেই বুঝে গেল ফুলকি! সে কি বাঁচাতে পারবে নিজেকে?

জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি ( Phulki )।‌ এই ধারাবাহিকে দেখা যায় ফুলকি রোহিতের উপর রাগ করেছে কারণ পিয়ালদার বিয়ে ফুলকি দিয়ে যাওয়ার জন্য ফুলকির গায়ে হাত তুলতে গিয়েছিল রোহিত। তাই ফুলকি রাগ করে রাত্রিবেলা রোহিতকে ছেড়ে পায়েলদির ঘরে চলে যায়। এদিকে রোহিত ফুলকির রাগ কমাতে নানারকমভাবে চেষ্টা করে কিন্তু ফুলকির রাগ কিছুতেই কমে না।

ফুলকি আজকের পর্ব ২৮ সেপ্টেম্বর (Phulki today episode 28 September)

রোহিত একটা বেড়াতে যাওয়ার জায়গা ঠিক করে ফুলকিকে ছবি দেখায় ও জানায় যে, এখানে সে একটা ঘর নিয়েছে, তারা বেড়াতে যাবে বলে ফুলকি জিজ্ঞেস করে, কটা ঘর নিয়েছেন স্যার? রোহিত বলে, একটাই, কারণ এখন তো আমরা একটাই ঘরে থাকি তাই। ফুলকি বলে শুধু আমি আর আপনি যাব? দাদাভাই- দিদিভাইয়ের নতুন বিয়ে হয়েছে আবার পিয়াল দাদাদেরও নতুন বিয়ে হয়েছে। তমালদাদাদের নতুন বিয়ে হয়নি ঠিক কিন্তু তাদের সম্পর্কটাও তো খুব একটা ভালো নয়। ওদিকে সবাই গেলে ধানুদি কেন যাবে না?

Phulki today full episode 27 September

রোহিত তখন বলে তুমি চাইছোটা কী? ফুলকি বলে, আমি চাইছি সবাই মিলে একটা মধুচন্দ্রিমার পরিকল্পনা হোক‌।‌ ফুলকি তখন বলে তুমি তো একজনের নাম বলতেই ভুলে গেছো, জেঠুমনি আর জেঠিমনি। তখন ফুলকি তাদেরকে বলতে যায়, তারপর ভাবে
তারা গুরুজন তাই তাদের এই কথাটা বলা ঠিক হবে না। তাই ওদেরকে বাদ দিয়েই ফুলকি সকলকে ফোন করে বলে একটা জরুরী মিটিং হবে, চপ মুড়ি খাওয়া হবে। সবাই সন্ধ্যেবেলায় চলে আসবে। অন্যদিকে ফুলকির কথা শুনে রোহিত ভাবে আমি কার পাল্লায় পড়লাম? তবে সে ফোন করে আর‌ও কতগুলো ঘর চেয়ে নেয়।

এরপর ফুলকি রোহিত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এই বেড়ানোর কথাটা বলা লাবু আর রুদ্রকে তো বলা যাবে না কারণ ওদের সম্পর্কটা তো আর ভালো নেই। এরপর বিকেল বেলায় পারমিতা-অংশু থেকে শুরু করে তমাল-ঈশিতা, ধানু ও পিয়াল, পায়েল সবাই চলে আসে তাদের সবার সামনে ফুলকি বেড়াতে যাওয়ার কথাটা বলে। পিয়াল তখন বলে, বাহ, বেশ ভালো। পায়েলকে পিয়াল বলে, তুই চিন্তা করিস না ওখানে গিয়েও কিন্তু তুই পড়াশোনা করতে পারবি। ধানু বলে পরিকল্পনা তো ভালো কিন্তু তোমরা সবাই জোড়ায় জোড়ায় যাচ্ছ, আমি একা গিয়ে কী করব? আমি এখানেই থাকি।

তমাল তখন বলে তুই একা কেন থাকবি? ঈশিতা তো যাবে না, আমি থাকবো তোর সাথে। ঈশিতা বলে কেন আমি যাব না? আমিও যাব! তমাল বুঝতে পারে না ঈশিতা হঠাৎ তার কথা কেন পরিবর্তন করছে? ওদিকে ঈশিতা বলে সকলেই যখন যাচ্ছে তখন রুদ্র আর লাবু কেন যাচ্ছে না? সেইসময় চলে আসে জেঠিমণি আর রুদ্র লাবুকে বলা হয়নি শুনে রেগে যায় কিন্তু রোহিতের মা তখন বলে লাবুকে ফোন করা হয়েছিল ও যেতে চাইছে না। জেঠিমনি তখন বলে তার মানে রুদ্রকে তোমরা বাড়ির সদস্য ভাবছো না তাই তো, ওকেও বল। আমিও তো ফুলকিকে পছন্দ করি না কিন্তু পরিবারের জন্য মেনে নিয়েছি। তোমরা কি ভুলে যাচ্ছ রুদ্র অজয় বাবুর বিরুদ্ধে গিয়ে মাস্টারমশাইয়ের পক্ষে কথা বলেছিল!

আরও পড়ুন: অন্য ছেলের হাত ধরল শ্যামলী! জেগে উঠল অনিকেতের ঈর্ষা!

ফুলকি বুঝতে পারে তার আনন্দটা মাটি হয়ে যাবে সব সময় জামাইবাবুকে চোখে চোখে রাখতে হবে। এরপর রুদ্র আসে আর সকলের সামনে এমন ভাব দেখায় যেন সে যেতে চায় না কারণ সেখানে গিয়ে সামান্য কোন‌ও কিছু হলে সমস্ত দায় তার কাঁধেই এসে পড়বে। ফুলকি বলে, ঠিক আছে সব দোষ যখন আমার তখন আমি চুপ থাকব। জেঠিমনি শর্ত দেয় রুদ্র যাবে তবে তোমরা কথা দাও সেখানে ওর কোন‌ও অসম্মান হবে না এরপর রুদ্র যেতে রাজি হয় আর ফুলকি বিষয়টাতে বেশ চিন্তায় পড়ে যায়, যে জামাইবাবু এত সহজে রাজি হয়ে গেল কেন? নিশ্চয়ই কোন‌ও ব্যাপার আছে! – রুদ্র যে একটা কিছু পরিকল্পনা করেছে সেটা ফুলকি আন্দাজ করতে পারছে কিন্তু রুদ্র যে তাকেই মারার পরিকল্পনা করেছে হয়ত সেটা সে বুঝতে পারেনি।\

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন