Bangla Serial

সিঁদুর দানের আগেই বিয়ে আটকে দিলো পর্ণা!, জালিয়াতির কেসে সৃজনের বাবাকে ফাঁসিয়ে দিলো রাঘব!

টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকটি। সময় থাকতে মানুষ অনেক কিছুই বলতে পারে না আর তার ফল স্বরূপ সারা জীবন তাদের আফসোস করে কাটিয়ে দিতে হয়। যেটা ঘটলো এই ধারাবাহিকের অন্যতম চরিত্র নায়িকার ভাই পিকলুর সাথে। চলতি সপ্তাহে টিআরপিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন অনেক চেষ্টা করেছিল যাতে বর্ষার সাথে তার ভালোবাসার মানুষের বিয়ে হয়। কিন্তু সেই সময় দিদির কথা চিন্তা করে পিকলু এই বিষয়টা থেকে পিছিয়ে এসেছিল। আর এটা তার জীবনের সবথেকে বড় ভুল গুলোর মধ্যে একটা ছিল। তারপর থেকে সে নিজের চোখের জল লুকিয়ে সারাদিন নিজেকে কাজে ব্যস্ত করে রেখেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বর্ষাকে বউয়ের দেশে দেখে আর নিজেকে আটকাতে পারল না। সে বর্ষাকে গিয়ে সমস্ত সত্যি কথা বলে দিল।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পিকলু বর্ষাকে বলছে, “তুই বলেছিলি না যে পালিয়ে গিয়ে একবার বিয়েটা করে নিলে কিছুদিন পরে সবাই ঠিক মেনে নেবে। চল আমরা পালিয়ে যাই বর্ষা। আমি পারবো না আমার নিজের চোখের সামনে তোকে অন্য কারো সাথে বিয়ে করতে দেখতে। আমি ভুল করে ফেলেছি। আমি বুঝতে পারিনি এমনটা হবে। দিদির কথা ভেবে আমি তখন এই সিদ্ধান্তটা নিতে পারিনি। এখনো সময় আছে বর্ষা। আমাকে ফিরিয়ে দিস না।” পিকলুর এই কথাগুলো শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ে বর্ষা। কিন্তু সে জানে সে একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। তার পক্ষে এভাবে মাঝ পথে বিয়ে ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া মোটেই শোভনীয় নয়।

বর্ষা পিকলুকে বলে, এখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। তার পক্ষে এভাবে মাঝপথে বিয়ে ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এতে গোটা দত্ত পরিবারের বিশেষ করে তার বাবার মান সম্মান সমস্ত কিছু মাটিতে মিশিয়ে যাবে। এখন আর কোন কিছুই আটকানো সম্ভব নয়। পিকলু বর্ষার পা ধরে কান্নাকাটি করতে থাকে। তার একটু পরই বর্ষাকে নিতে চলে আসে বিয়ের জন্য। পিকলুর হাত ছাড়িয়ে বর্ষা চলে যায় অর্ণব কে বিয়ে করতে আর পিকলু ঘরের একটা কোণে বসে বসে কান্নাকাটি করতে থাকে। তখনই সেখানে চলে আসে পর্ণা। পিকলুর থেকে সবটা শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় সে। পর্ণা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে যদি এই বিয়েটা হয় তাহলে একসাথে তিনটে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে। তাই সিঁদুর দানের আগে পিকলুকের সাথে করে বর্ষার সামনে নিয়ে যায় পর্ণা।

আরও পড়ুন: বাংলা টেলিভিশনে নামকরা চ্যানেলে আসছে ছয়টি নতুন সিরিয়াল! দারুন খুশি দর্শক

অন্যদিকে হাত মিলিয়েছে রাঘব আর সুকুমার আর রাঘব। শত্রু শত্রু বন্ধু এই পন্থাতেই তারা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা দুজন মিলে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে দত্ত বাড়িকে বিপদের মুখে ফেলা যায়। এই সবটাই শুনে নেয় পর্ণার পুলিশ বন্ধু। সে সবটা পর্ণাকে বলার আগেই তার ফোনটা নিয়ে নেয় স্যার। অন্যদিকে নিজের খেলা দেখাতে শুরু করে দেয় সুকুমার। একদিকে নিজের শ্বশুরমশাই আর অন্যদিকে নিজের ভাই দুই দিক কিভাবে সামলাবে পর্ণা?

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন