আমরা ছোট থেকেই শুনে আসছি বড় দিদি মা সমান। শুধু শুনে আসছি কেন বলব? আমরা তো সেটা প্রত্যক্ষ করেছি। যদি নিজের দিদি থাকে তাহলে সে বোনকে সব রকম বিপদ থেকে আগলে রাখে। একজন বোনের সবথেকে কাছের সঙ্গী, বন্ধু হল তার দিদি। কিন্তু বাংলা টেলিভিশনের দুনিয়ায় আমরা এমন কিছু কিছু ধারাবাহিক দেখেছি সেগুলো বড় দিদিদের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে।
এই যেমন স্টার জলসার ইচ্ছে নদী বা জি বাংলা ইচ্ছে পুতুল এই দুটি ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়েই আমরা দেখেছি বা দেখছি একজন দিদি নিজের বোনের জীবনের ঠিক কতটা ক্ষতি করতে পারে। কিভাবে নিজের বোনের সাজানো সংসারকে তছনছ করে দিতে পারে। শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে। ত্যাগ নয় বরং পাওয়ার মোহই সম্পর্ক নষ্ট করে দেয় দুই বোনের!
এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী নিজের বোনের স্বামীকেই কেড়ে নিতে চায় ময়ূরী। আর সেই জন্য সে সব কিছু করতে পারে। যেকোনও পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। আর সেটাই এবার সে করেছে। সাম্প্রতিক পর্বে আমরা দেখেছি ময়ূরীর সমস্ত কীর্তিকলাপ ফাঁস হয়ে গেছে গাঙ্গুলী পরিবারের সামনে। কিভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল করবে সে সেটাই বুঝতে পারছে না।

গিনি, মিনি, সৌরনীল মিনাক্ষী সবার কাছে ভালো হয়ে উঠেছে মেঘ। ময়ূরীর সঙ্গে সৌরনীলের বিয়ে প্রায় ভেঙে যাওয়ার মুখে। আর এই পরিস্থিতিতে মেঘের বড় ক্ষতি করে দিল ময়ূরী। যদিও এতটা বড় ক্ষতি সে করতে চায়নি। কিন্তু করে ফেলেছে এবার কি করবে? কিভাবে লুকোবে নিজের দুষ্কর্ম?
নীল মেঘকে খুঁজতে ওপরে এলে ময়ূরী তাকে বলে তুমি নিচে যাও আমি মেঘকে খুঁজে নিয়ে যাচ্ছি। এরপর ভয় পেয়ে গিয়ে সে মেঘকে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিয়ে নিচে এসে বলে মেঘকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। নীল বলে অসম্ভব। মেঘ কি তাহলে আবার আমার উপর রাগ করে চলে গেল? এই পরিস্থিতিতে গিয়ে সৌরনীল, গিনি, মিনি সবাই মেঘকে খুঁজতে উপরে আসে। আর সেইসময় গিনি, মিনির চোখে পড়ে বাথরুমের দরজার বাইরে উঁকি দিচ্ছে মেঘের শাড়ির এক টুকরো অংশ। ভয় পেয়ে গিয়ে আঁতকে উঠে তারা সৌরনীলকে ডাকে। মেঘের কি বড় ক্ষতি করেছে ময়ূরী?
