সব কিছুর উর্ধ্বে মানুষের সম্মান। আত্ম সম্মান না থাকলে বেঁচে থাকার সমস্ত ইচ্ছেই হারিয়ে যায়। কোনো দোষ না থাকা সত্বেও সেই আত্মসম্মানের বলি দিয়ে নিজের মেয়েকে চরম অসম্মানের সাথে তার শশুর বাড়িতে দিয়ে আসতে উঠে পড়ে লেগেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার শাশুড়ি কৃষ্ণা। বর্তমানে এই নিয়েই জমে উঠেছে মেগার গল্প।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন বর্ষার সাথে অর্ণবের বিয়ে দিতে চায়নি। কিন্তু কৃষ্ণার অন্যায় জেদের কাছে হার মানতে হয়েছে তাদের। এরপর বর্ষাকে নিজের মায়ের কথায় না নিয়ে গিয়ে অনেক বড় অন্যায় করে বর্ষার শশুর বাড়ি। আর আজ যখন তাদের ক্ষমা চাওয়ার পালা তখনও ক্ষমা না চেয়ে উল্টে বর্ষাকে দয়া করছে এমন ভাব দেখায় তারা। আর এটাই মেনে নিতে না পেরে তীব্র প্রতিবাদ জানায় পর্ণা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৃষ্ণা বলে বর্ষাকে ওই বাড়িতে ফিরে যেতেই হবে। সে নিজে গিয়ে তার মেয়েকে ওই বাড়িতে দিয়ে আসবে। কিন্তু পর্ণা কিছুতেই সেটা হতে দিতে চায় না। তখন কৃষ্ণা পাগলামি শুরু করে। তুলসী মঞ্চে গিয়ে মাথা ঠুকতে থাকে। তার এই পাগলামি মেনে নিতে না পেরে অবশেষে অমিতেস আর সৃজন রাজি হয়ে যায় যেতে।
পর্ণা ততক্ষণে নবনীতা অর্থাৎ বর্ষার শাশুড়িকে ফোন করে বলে দেয়, তারা অন্যায় করেছে তাই বর্ষাকে তারাই ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আসবে। এটা শুনে নবনীতা তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। সে ঠিক করে আর কখনোই বর্ষাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেবে না সে। বর্ষা তার মাকে বলে, তার তো কোনো দোষ নেই, তাহলে তার মান সম্মানের কথাটা কেনো বুঝতে চাইছে না তার মা। কৃষ্ণা বলে এসব পর্ণার শেখানো কথা বলে কোনো লাভ হবে না। পর্ণা নাকি বর্ষার সংসারটা ভাঙতে চাইছে। বর্ষা তার পরেও তার বৌদি ভাইয়ের হয়েই কথা বলে। সে বলে, পর্ণা যা করছে ঠিক করছে। কৃষ্ণা তার স্বামী আর ছেলেকে নিয়ে চলে যায় বর্ষার শশুর বাড়িতে। বারবার দরজা ধাক্কা দেওয়ার করেও ইচ্ছে করে দরজা খোলে না নবনীতা। অর্ণবের বাবা আর বোনের কথাতেও পাত্তা দেয় না সে। এইভাবে কুকুর ছাগলের মতন কৃষার সাথে ব্যবহার করে সে।
আরো পড়ুন: ফুলকি এ বাড়ির যোগ্য বউ, তুমি নও…” ফুলকির পাশে দাঁড়িয়ে শালিনীকে উচিত জবাব দিল জেঠিমনি!
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, এই সমস্ত কিছু শুনে ভীষণ রেগে যায় পর্ণা। তার শশুর শাশুড়ি স্বামীকে এমন ভাবে অপমান! সে কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। পর্ণা সৃজনকে বলে, “অনেক হয়েছে আর নয় এইবার ওনাদের ক্ষমা চাইতেই হবে। তুমি শুধু দেখো এবার আমি এমন একটা প্ল্যান করবো যাতে ওনারা নিজে এসে বর্ষার হাতে পায়ে ধরে ওকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হবে।”
