জি বাংলার (Zee Bangla) প্রতিটি ধারাবাহিকই বর্তমানে জমজমাট হয়ে উঠেছে। তবে তার মধ্যে থেকেও যেই ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে দর্শকের মন জয় করছে তা হলো জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। টিআরপি তালিকাতেও কখনো নিজের জায়গা প্রতিপক্ষকে ছেড়ে দেয়নি জগদ্ধাত্রী। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে সব সময় নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। তাইতো টিআরপি তালিকাতে এক থেকে পাঁচের মধ্যে জগদ্ধাত্রীর নাম রয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, দুর্গা ওই লোকটিকে যতটুকু দেখেছে তার বর্ণনা দিতে থাকে। এরপর গোটা ডিপার্টমেন্ট লেগে পড়ে সঞ্জিত ব্যানার্জিকে খুঁজতে। বাড়িতে তো সকলেই চিন্তা করতে থাকে জগদ্ধাত্রীকে নিয়ে। পৃথা জানায় সেখানে ঠিক কি ঘটনা ঘটেছিল। অনুষ্ঠানের মাঝে হঠাৎ করে দুর্গা ছুটে গিয়ে তার মাকে রক্ষা করে এবং তারপরই গুলি চলে। গোটা অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। আর গোটা ঘটনার কথা শুনে সকলেই তো বেশ ভয় পেয়ে যায়। মেহেন্দি বলে জগদ্ধাত্রী চারিদিকে যে শত্রু বানিয়ে রেখেছে এটাতো হওয়ারই ছিল। এই জন্মের শাস্তি এই জন্মেই ভোগ করতে হবে। কথাটা শুনে ফেলে স্বয়ম্ভু। আর স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যদি তাই হতো তাহলে মেহেন্দি এতক্ষণ জেলে থাকতো। দুর্গা এবং জগদ্ধাত্রীর দয়ায় সে এখন জেলের বাইরে আছে।
এদিকে সঞ্জিত ব্যানার্জি নিজে জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে হুমকি দেয় জানায় তাকে কিছুতেই খুঁজে বার করতে পারবেনা যখন থাকবি জগদ্ধাত্রীয় চ্যালেঞ্জ করে। সঞ্জিত ব্যানার্জিকে ওপর নজর রাখছে একজন খুব তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে সে। কিন্তু সঞ্জিত ব্যানার্জি জানিয়ে দেয়। একবার যখন জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে যখন জগদ্ধাত্রীকে শেষ না করা পর্যন্ত সে থামবে না।
ওদিকে আবার ঋষভের ফোনের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে দুর্গা। পৃথা দুর্গাকে বোঝাতে থাকে ঋষভ ফোন করবে না। কিন্তু দুর্গার বিশ্বাস ঋষভ ঠিকই ফোন করবে তাকে। কারণ অনুষ্ঠানের সময় দুর্গা লক্ষ্য করেছে ঋষভ তাকেই দেখছিল। দুর্গার মনে হয় ঋষভ একটু একটু করে তার প্রেমে পড়েছে। কিন্তু পৃথা বিশ্বাস করে না। তার কিছুক্ষণ পরেই ফোন করে ঋষভ। কিন্তু দুর্গা একবারে ফোন ধরে না, দ্বিতীয়বার আবারও ঋষভ ফোন করে। ঋষভের একটু একটু দুর্গাকে পছন্দ হচ্ছে সেটা তার কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছিল। ঋষভ জানায় অনুষ্ঠানে দুর্গাকে দেখছিলো সে। দুর্গার সাথে কথা বলে ঋষভ জানতে পারে জগদ্ধাত্রী, স্বয়ম্ভ হল দুর্গার বাবা-মা। কিন্তু দুর্গা অনাথ আশ্রমে লালিত পালিত হয়েছে। যদিও নিজের জীবনের সব ঘটনা এখনো জানায়নি দুর্গা।
আরও পড়ুনঃ ছদ্মবেশী রুদ্রর ফাঁদে লাবণ্য! মুখোশ খুলতে নতুন চাল ফুলকির
কিন্তু ঋষভ তার মনের কথা জানাতেই দুর্গাকে ফোন করেছিল। আর ঠিক তখনই সেখানে এসে উপস্থিত হয় ঋষভের মা। তিনি তো কিছুতেই দুর্গাকে পছন্দ করেন না। ছেলেকে জানিয়ে দেন দুর্গার সাথে যেন কোনরকম যোগাযোগ না রাখে ঋষভ। এটাও জানিয়ে দেয় তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে তিনি যাকে বলবেন ঋষভকে তাকেই বিয়ে করতে হবে। এদিকে মেহেন্দি, উৎসব এবং বৈদেহি মিলে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে জগদ্ধাত্রীকে থামানো যায়। জগদ্ধাত্রী আসার পর থেকে উৎসবের এই অবস্থা। তাই জগদ্ধাত্রীকে যে করেই হোক আটকাতে হবে। আর ঠিক সেই সময় ঘরে ঢোকে দুর্গা। দুর্গা সাবধান করে দেয় মেহেন্দিকে। বৈদেহিকে অনেক কষ্টে দুর্গা ভালো করেছে। তাই মেহেন্দি যেন তার মন আর বিষিয়ে না দেয় তাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।
