জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো বর্তমানে টিআরপি (TRP) তালিকায় তাক লাগানো ফলাফল করছে তার মধ্যে অন্যতম ফুলকি। প্রথম থেকেই ধারাবাহিকটি নজর কেড়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। দিব্যানি মন্ডল (Devyani Mondal) ও অভিষেক বসুর (Abhishek Bose) অনস্ক্রিন রসায়ন তাক লাগিয়ে দিয়েছে দর্শকদের। সেই সঙ্গে অভিনেত্রী কৌশাম্বী চক্রবর্তী (Kaushambi Chakraborty) পারমিতার ভূমিকায় অভিনয় মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের।
বর্তমানে ধারাবাহিকের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পারমিতা। তথাগতর স্মৃতিকে সম্মান জানিয়েই এবার নতুন জীবনে পা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তবে বউমার বিয়ে নেমে নিয়ে পারেনি শাশুড়ি মা। ছেলের বউকে অন্য কারুর সঙ্গে সংসার করতে দেখতে চাননা তিনি আর সেই কারণেই বিয়ে আটকাতে একের পর এক কারসাজি করেছেন তিনি। প্রথমে অংশুর বাড়ি গিয়ে পারমিতার নামে যা নয় তাই বলে বিয়েতে ভাঙচি দিয়ে এসেছেন হৈমন্তী। তবে যত তিনি দেখলেন এতে চিঁড়ে ভেজেনি। তখনই পারমিতাকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে দেন তিনি।
তারপরই পারমিতাকে লুকিয়ে রাখেন রথের ঘরে। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি তাতেও। অংশুর মারের ভয়ে মুখ খুলে দেয় হৈমন্তীর পরিচিত রিক্সাওয়ালা। তারপরই রথের ঘর থেকে পারমিতাকে উদ্ধার করে আনে ফুলকি, রোহিত আর অংশু। সাজিয়ে গুছিয়ে, জাকজমক করে সম্পন্ন হয় পারমিতা ও অংশুর বিয়ে। যদিও মাঝে বাধা দিতে এসেছিলেন অংশুর বাবা। রেগে গিয়ে অংশুকে চড় পড়তে গিয়েছিলেন তার বাবা। কিন্তু স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় পারো। আর সেটা দেখেই উল্টো রাস্তা ধরেন অংশুর বাবা।
কী দেখা যাবে ফুলকির আজকের পর্বে?
নিয়ম বিধি মেনে সম্পন্ন হয় পারমিতা অংশুর বিয়ে। যদিও বিয়েতে একবারের জন্যও দেখা যায়নি হৈমন্তীকে। এরপরই নাচে গানে হৈ হুল্লোড় করে কাটে বাসররাত। পারমিতা আর অংশুকে একসঙ্গে দেখে ভীষণ খুশি হয় ফুলকি। সকাল হতেই সকলে মিলে গিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে দেয় অংশুর বাড়িটা। এরপরই যথাসময়ে শুরু হয় বিদায়ের অনুষ্ঠান। কিন্তু মায়ের সঙ্গে দেখা না করে শ্বশুর বাড়ি যেতে নারাজ পারো। ফুলকি শত বারণ করলেও শোনেনি সে। এরপরই বেরিয়ে আসেন হৈমন্তী।
আরও পড়ুন: বউমার খুশি সহ্য হল না কূটনী শাশুড়ির! পারমিতার নতুন জীবনে বি’ষ ঢালল হৈমন্তী!
কী দেখা যাবে ফুলকির আগামী পর্বে?
পারমিতাকে দেখে হৈমন্তী তাচ্ছিল্য স্বরে বলেন এইভাবেই একদিন পারমিতা এসেছিল তার বাড়িতে, তার তথার বউ হয়ে। মায়ের কথা শুনে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেনি পারমিতা। অঝোর ধারায় জল পড়তে থাকে তার চোখ দিয়ে। ভীষণ ভেঙে পড়ে সে। তবে কোনক্রমে তাকে সামলে নিয়ে যায় অংশু। কিন্তু পারমিতা যাওয়ার পরও বদলাননি জেঠিমনি। উল্টে বেড়ে যায় তার জেদ। বাড়ির রান্না খাবেন না স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। সঙ্গে এও বলেন তার জন্য খাওয়ার আসবে আশ্রম থেকে আর সেই অন্নই গ্রহণ করবেন তিনি। তাছাড়া এই রায় চৌধুরী বাড়ির জল স্পর্শ করবেন না হৈমন্তী। জেঠিমনির রাগ ভাঙাতে এবার কি করবে ফুলকি? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।
