জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ফুলকি(Phulki)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, অনেক বাধা বিপত্তির পর শেষমেষ পারমিতা আর অংশুমানের বিয়েটা হয়ে যায়। ওদিকে রাগে গজগজ করতে থাকে হৈমন্তী। সে কিছুতেই এই বিয়েটা মন থেকে মানতে পারে না, ঘরে বসে শাপ শাপান্ত করতে থাকে।
ফুলকি ৪ সেপ্টেম্বর আজকের পর্ব (Phulki 4 September full episode)
ফুলকি ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পারমিতা চিৎকার করে হৈমন্তীকে ডাকতে থাকে আর বলে, মা তুমি কি এখনও ঘুমাচ্ছো?আমার সামনে আসবে না মা? হৈমন্তী তখন পারমিতার ডাকে বেরিয়ে আসে আর বলে, একদিন ঠিক এই বেশে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে ছিলে তথার বউ হিসেবে! মনে পড়ে তোমার?

ফুলকি তখন হৈমন্তীর কাছে এসে বলে,জেঠিমা এক্ষুনি তো দিদিভাই চলে যাচ্ছে! কী দরকার এইসব কথা বলে? হৈমন্তী কোনও কথা শোনে না।সে পারমিতাকে বলে, ওরা তোমাকে বলেনি আমি তথার মা। আমি কখনও চায় নি, তুমি অন্য কারোর বউ হও। আমি তোমাকে আটকাতে চেয়েছিলাম। আমি তোমাকে আটক করে রেখেছিলাম রথের ঘরে, ওরা বলে নি তোমাকে? আমি চায় নি এই বিয়েটা হোক।
হৈমন্তী বলে,আমার তথার বৌ হয়ে নির্লজ্জের মত আর একজনকে বিয়ে করে আবার আমাকে মা বলে ডাকছো? তখন মাস্টারমশায় বলে, ব্যস অনেক করে ফেলেছো এবার থামো। আর একটা কথা বলবে না তুমি পারমিতাকে! একবার ভেবে দেখো তো আজ যদি তথার জায়গায় পারমিতা আমাদের মধ্যে না থাকত, তাহলে কি তুমি তথার বিয়ে দিতে না? এবার তুমি ক্ষান্ত দাও, আর অনুষ্ঠানগুলো করো।
লাবু কনকাঞ্জলীর কথা বললে ও সিনক্রিয়েট করে হৈমন্তী। তখন রোহিতের মা বলে, একা একা একটা মেয়ের জীবন কাটানো কতটা যন্ত্রণা সেটা যেন কখনও তোমাকে বুঝতে না হয় দিদি, আমি যেটা বুঝি। আমার তো তাও দুটো সন্তান আছে কিন্তু পারমিতার তো তাও নেই কী নিয়ে থাকতো মেয়েটা? সারাজীবন একা একা! এরপর কনকাঞ্জলি ছাড়াই বিদায় হয় পারমিতার অন্যদিকে ফুলকি অংশুর বাড়িতে আগে থেকেই চলে গিয়ে সমস্ত ব্যবস্থা করে রাখে।
অংশুমান তার মাকে ফোন করে ডাকলে তার মা ফোন ধরে না তখন পারমিতাকে বরণ করবে কে এই নিয়ে চিন্তার সৃষ্টি হয়। অংশুমান ফুলকিকে বললে ফুলকি বলে আমি নয় তুমি বরণ কর। এরপর অংশুমান বরণ করে পারমিতাকে। ওদিকে অংশুমান ফুলকিদের সবাইকে কাল রাত্রির দিন তাদের বাড়িতে থেকে যেতে বলে।
আরও পড়ুন: অন্ন জল ত্যাগ করলেন হৈমন্তী! জেঠিমণির প্ল্যানে জল ঢেলে ধামাকা করল ফুলকি!
রুদ্রকে মাস্টার মশায় ডাকে কারণ হৈমন্তী কাল রাত থেকে দরজা দিয়ে বসে আছে , দরজা খোলেনি এমনকি ঠাকুর ঘরেও যায় নি। মাস্টার মশায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হৈমন্তীকে ডাক্তার দেখাবেন, লাবুও তাতে একমত। এরপর দেখা যায় হৈমন্তী ঘর থেকে বেরিয়ে আসে এবং বলে সে দু একদিনের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত নেবে কিন্তু এই কদিন সে বাড়ির কোন খাবার খাবে না সে মন্দিরে ফোন করে বলে দিয়েছে, তার জন্য প্রসাদ পাঠিয়ে দেবে ঠাকুর মশায়।
