এই মুহূর্তে জমে ক্ষীর হয়ে গেছে জি বাংলার ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kachhe Koi Moner Kotha) ! দর্শকরা যাকে বলে মজে রয়েছেন এই ধারাবাহিকে। টিআরপি কয়েক সপ্তাহ কামাল করলেও গত সপ্তাহে পিছিয়ে পড়েছিল এই ধারাবাহিকটি। তবে এই সপ্তাহের দারুণ উত্তেজনায় ভরা পর্বের কারনে মনে করা হচ্ছে টিআরপিতে আজ কামাল করবে এই ধারাবাহিক।
এই ধারাবাহিকে দেখানো প্রায় প্রত্যেকটি চরিত্রই দারুণ রকমের উত্তেজনায় ভরা। শিমুলের স্বামী পরাগ তার দেওর পলাশ তার জা প্রতীক্ষা এমনকি শাশুড়ি মধুবালা এই প্রত্যেকটি চরিত্রই একেবারে উঠে এসেছে সমাজ থেকে। প্রত্যেকটা চরিত্রই অসম্ভব রকমের ধান্দাবাজ, স্বার্থপর। কিন্তু পরাগ, পলাশ, প্রতীক্ষা সদাই শিমুলের খারাপ চায়।
তবে এমন একটি চরিত্র এই ধারাবাহিকে রয়েছে যে চরিত্রটি ভীষণ রকমের পাল্টিবাজ। এই আজ ভালো হচ্ছে তো কাল আবার খারাপ হয়ে যাচ্ছে। পরাগের সঙ্গে শিমুলের বিয়ের পর তার জীবনকে অতিষ্ঠ করে দিয়েছিল তার শাশুড়ি মধুবালা দেবী। ভীষণ রকম কুটনি দেখানো হয়েছিল এই চরিত্রটিকে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনিই আবার ভীষণ ভালো হয়ে যান। তবে পুরনো ফর্মে ফিরতেও বেশি সময় নেননি তিনি। কিছুদিন আগেই শিমুল পরাগের থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাওয়ায় তিনি শিমুলের বিরোধিতা করা শুরু করেন।
এরপর যখন তিনি জানতে পারেন শিমুল সেই টাকা তার মেয়ের নামে লিখে দিয়েছে আবার তিনি পাল্টি খেয়ে ভালো হয়ে যান। এরপর গয়না চুরি কাণ্ডে তিনি প্রথমেই সন্দেহ করেন যে শিমুল নাকি তার আলমারি থেকে সমস্ত গয়না নিয়ে শতদ্রুর ব্যাগে ঢুকিয়ে দিয়েছে। যে শিমুলকে তিনি এত ভরসা করেন তার প্রতি ন্যূনতম বিশ্বাস নেই তার।
আর তাই যখন শিমুলের পাড়ার বন্ধুরা শিমুলের উপর বিশ্বাস রাখতে পেরেছে তখন তিনি শুধুমাত্রই অবিশ্বাস করে গেছেন শিমুলকে। আর তাই ধারাবাহিকের আগাম পর্বে দেখা যাবে শিমুল নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে। মধুমালা দেবীর গুণধর বড় ছেলে পরাগ আর তার সবেমাত্র হওয়া প্রেমিকা প্রিয়া দাস অপরাধী হয় তাদেরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শিমুল নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মহানন্দে রয়েছে পুতুল। সে তার মাকে কটাক্ষ করে বলে, ! ‘বুড়ি তুই আবার পাল্টি খাস না! তোর স্বভাব খারাপ।’
