Bangla Serial

ফুলকির গুলিতেই রুদ্রর মৃত্যু! বাবার সিংহাসন পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে খুনের অভিযোগে জেলে ফুলকি!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ দিনের পর দিন দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছে। রোহিত-ফুলকির জুটিও এখন ঘরে ঘরে প্রিয়। টিআরপি তালিকায় নিয়মিত উত্থান ঘটিয়ে চলেছে এই সিরিয়াল। তবে ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে ঘটেছে একের পর এক চমকপ্রদ মোড়, যা দর্শকদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে।

কাহিনির গতিপথে দেখা যাচ্ছে, ডিএনএ টেস্ট ঘিরে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে ছোট রানী। রিপোর্ট বদলানোর ছক কষতে থাকেন তিনি। ঠিক সেই সময় ছোট রাজার ছদ্মবেশে হাজির হয় রুদ্র। ডিএনএ টেস্টে নিজের রক্ত দিয়ে আসল ছোট রাজার জায়গা নেয় রুদ্র। এতে ছোট রানী নিশ্চিন্ত হয়ে যায় যে আসল পরিচয় চাপা থাকবে।

পরদিন স্বাগতা ম্যাডাম ফোন করে ফুলকিকে রিপোর্ট জানানোর জন্য। খুশিতে আত্মহারা ফুলকি সকলকে ডেকে সুখবর শোনাতে চায়। কিন্তু রিপোর্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে ডিএনএ ম্যাচ করেনি। অর্থাৎ, শ্যামানন্দ বাবার সঙ্গে ছোট রাজার কোনও সম্পর্ক নেই। রিপোর্ট শুনে ফুলকির মাথায় বাজ পড়ে। সে নিশ্চিত হয়, এই রিপোর্ট জালিয়াতির ফল।

সবদিক থেকেই প্রমাণ খুঁজে ব্যর্থ হয় ফুলকি। তবুও তার দৃঢ় বিশ্বাস—শ্যামানন্দ বাবাই তার বাবা এবং তিনিই রাজবাড়ির বড় রাজা। অতীতেও রুদ্র ডিএনএ স্যাম্পল বদলেছে, এই অভিজ্ঞতা থেকেই ফুলকির সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়।

তাই ফুলকি ধানুকে অনুরোধ করে আদিত্যর ব্লাড স্যাম্পেল জোগাড় করতে। সেই ব্লাড স্যাম্পেল ছোট রাজার স্যাম্পেলের সঙ্গে মিলিয়ে টেস্ট করা হয়। আর এখানেই ফাঁস হয়ে যায় সব কিছু। দেখা যায়, ডিএনএ টেস্ট মিলছে না। অর্থাৎ আসল ছোট রাজা আরেকজন। ফুলকি বুঝে যায় বড় ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং সত্যকে সামনে আনার জন্য এগিয়ে আসে।

ফুলকি খুঁজে বার করে আসল ছোট রাজাকে এবং মুখোশের আড়ালে লুকোনো রুদ্রকে সকলের সামনে নিয়ে আসে। মুখোশ খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ফাঁস হয়ে যায় রুদ্রর আসল পরিচয়। আর নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে রুদ্রর উপর গুলি চালায় ফুলকি।

আরও পড়ুনঃ ফুলকি ধারাবাহিকে নতুন টুইস্ট! ডিএনএ রিপোর্টে কারচুপি, চুপিচুপি আদিত্যর সঙ্গে র’ক্ত মেলানোর ছক ফুলকির

এখন প্রশ্ন, রুদ্র কি মারা গেল? খুনের অভিযোগে কি এবার জেলে যেতে হবে ফুলকিকে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শকরা। আগামী পর্বে মিলবে এই উত্তরের ইঙ্গিত।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন