জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি এখন জমজমাট ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছেছে! প্রতিটা পর্বেই এমন সব চমক থাকছে যে চোখ না সরিয়ে থাকা মুশকিল। এবার যা হতে চলেছে, তা যেন বলিউডের কোনও থ্রিলার কাহিনিও হার মানাবে!
শেষ ক’টা পর্বে দেখা গেছে, ফুলকি ঠিক করেছে সে যেভাবেই হোক খুঁজে বার করবে সনাতনের পরিবারকে। কিন্তু ছোট রাণী জানার পর নিজেই ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই খোঁজে। তার মধ্যে আবার বড় টুইস্ট – শিল্পা আসলে সনাতনেরই মেয়ে! আর এ কথা জানে তার মা, সর্বাণী, যিনি এক সময় ফুলকির বাবার বিশ্বস্ত কর্মচারী সনাতনের স্ত্রী ছিলেন।

শিল্পার মা একেবারে লুকিয়ে রাজবাড়িতে এসেছেন মেয়েকে নিতে। কিন্তু রাজবাড়ির এক পুরনো কর্মচারী চিনে ফেলেছে তাঁকে! যদিও তিনি নিজের পরিচয় গোপন করে বাঁচার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, ফুলকি বুঝতে পারে কিছু তো একটা গণ্ডগোল আছে। সে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় শিল্পার মায়ের মুখোমুখি হবে।
এরই মধ্যে ছোট রাণী আড়ালে সব শুনে ফেলে এবং রুদ্রকে নির্দেশ দেয়—সনাতনের স্ত্রী আর মেয়েকে শেষ করে দিতে হবে! সে রুদ্রকে সব খুলে বলে—২৪ বছর আগের কুকর্মের কাহিনি, যা চেপে রাখতে চায় যেকোনও মূল্যে।
অন্যদিকে, ফুলকি রোহিতকে সব জানায়। ওরা বুঝতে পারে শিল্পার মা-ই সনাতনের স্ত্রী, সর্বাণী। রোহিত-ফুলকি তখনই ছুটে যায় শিল্পা ও তার মাকে বাঁচাতে, কারণ ছোট রাণীর লোকজন ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে শিয়ালদায়! তবে ঠিক সময়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে রোহিত-ফুলকি।
কিন্তু বড় প্রশ্ন—ছোট রাণী কেমন করে জানল ফুলকির প্ল্যান? এখানেই আসে আরেকটা টুইস্ট! রোহিত সন্দেহ করে ফুলকির ফোনে কোনও ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানো হয়েছে কিনা। আর সত্যিই! ফুলকির ফোনে সেই গোপন ডিভাইস পাওয়া যায়। এরপর আর দেরি না করে ফুলকি সোজা ছোট রাণীকে হুমকি দেয়—এই খেলা আর চলবে না!
আরও পড়ুনঃ “শারীরিক খেলা, বুদ্ধির জয়! শিরিনের ফাঁদে পড়ল না পারুল, আজকের পর্বে টানটান উত্তেজনা”
আর পরের দিন সকালে ফুলকি চমকে দেয় সবাইকে—সে সোজা পুলিশের সঙ্গে হাজির হয় রাজবাড়ির গেটে! হাতে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট! এবার আর পালানোর রাস্তা নেই ছোট রাণীর—রাতারাতি রাণী থেকে আসামী হয়ে গেলেন তিনি! আগামী পর্বে ফুলকি আর ছোট রাণীর এই মুখোমুখি লড়াই কেমন হবে, তা দেখার জন্য চোখ রাখতেই হবে ফুলকি-তে!
