জি বাংলার ‘পরিণীতা’ এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে, তাতে একটা পর্বও মিস করলে যেন অনেক কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে! পারুল বনাম শিরিন – এই দ্বৈরথই এখন মূল আকর্ষণ। কে হবে ‘চ্যাম্পিয়ন অফ ব্রাইট মাইন্ডস’? প্রতিদিনের নতুন নতুন টাস্ক আর টুইস্টে গল্পে জমজমাট উত্তেজনা।
গতকালকের এপিসোডে যা হল, সেটা এককথায় বললে – “পারুলের বুদ্ধি বনাম শিরিনের চালাকি!”
রাউন্ডের টাস্ক ছিল একটা – লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে বানাতে হবে একটা আকর্ষণীয় ট্যাগলাইন। সবাই নিজের মতো করে ভাবতে ব্যস্ত, আর পারুল? সে একদম ব্ল্যাঙ্ক! শেষমেশ ভরসা সেই দাদু আর তার বুদ্ধি। ফলাফল? পারুলের ট্যাগলাইন ছিল এমন, শুনেই বিচারকরা হেসে ফেললেন – খুশিতে!

কিন্তু মজা সেখানে থামল না। পারুল যখন সবার সামনে তার ট্যাগলাইন শোনানোর অপেক্ষায়, তখনই তাকে ডিসকোয়ালিফাই করে দিলেন কলেজ প্রফেসররা! সব্বাই অবাক – এমন কী লিখেছে সে? শিরিন-রায়ান তো মহা খুশি, পারুল বাদ মানেই তাদের জন্য সুবিধা!
কিন্তু পারুল তো চুপ করে বসে থাকার মেয়ে নয়। বিচারকরা নিজেরাই পরে তার লেখা দেখতে চান। দেখা মাত্রই – হেসে গড়িয়ে পড়েন! ট্যাগলাইন পাস করে যায় একেবারে হায়েস্ট মার্কে। আর পারুলও পৌঁছে যায় পরবর্তী রাউন্ডে, রায়ান আর শিরিনের সঙ্গে।
এবার আসল চ্যালেঞ্জ – ব্যাডমিন্টন! আর এখানেই জমে উঠেছে খেলা। শিরিন তো স্টেট লেভেল প্লেয়ার, তার সামনে পারুল যেন একেবারে আনকোরা। মনের মধ্যে ভয়, তবে হাল ছাড়ে না। মল্লার, মৈনাক – সবাই পাশে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে শিরিন চালাকির খেলায় নামে, পারুলকে হারানোর জন্য ফাঁদ পাতে। কিন্তু পারুল এবার আগের মতো নয়। সে ধরে ফেলে শিরিনের চাল। আর অবাক করার মতো – ফিজিক্সের ফর্মুলা কাজে লাগিয়ে পাল্টা চাল মারে পারুল!
আরও পড়ুনঃ TRP তালিকায় উলটপুরাণ! শীর্ষে ‘পরশুরাম’, ধাক্কা খেল ‘দাদামণি’
এবার প্রশ্ন – শারীরিক দক্ষতা না মস্তিষ্কের বুদ্ধি? কে যাবে ফাইনালে? আগামী পর্বে মিলবে সেই উত্তরের ঝলক। একটা কথা বলাই যায় – এই যুদ্ধ এখন আর শুধুই খেলার নয়, এটা পারুলের আত্মবিশ্বাসের লড়াই!
