লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু।এইবার সেই অবস্থাই হতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের অন্যতম খলচরিত্র তথা নায়িকার ভাসুর অয়ন দত্তর। অর্থের লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়। চুরি করা টাকায় ঔদ্ধত্য বেড়ে গিয়েছে অয়নের। সেই দম্ভ এবার ভেঙে চৌচির করে দিল পর্ণা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণাকে লক্ষ্মী মনে করে সৃজন। পর্ণাই তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্মী। তার সাথে গিয়ে সৃজন একটা লটারির টিকিট কিনেছিল। সৃজনের ভাগ্য খুলে যায়। লটারির টিকিটের নাম্বার মিলে যায়। সৃজন জিতে যায় ৫০ লক্ষ টাকা। তবে এই টাকা ভোগ করা তার কপালে নেই কারণ তার দাদা অয়ন তার ঘরে গিয়ে নিজের টিকিটের সাথে তার টিকিটটা অদল বদল করে দেয়।
অনেকগুলো টাকা হাতে পেয়ে অনেক জিনিসপত্র কিনে ফেলে অয়ন। মৌমিতার জন্য ফ্রিজ নিজেদের ঘরে রাখার জন্য একটা বড় টিভি আরো অনেক কিছু। সৃজন বুঝতে পারে তার টিকিটটা চুরি করে অনেকগুলো টাকা পেয়ে আজ অয়ন এসব করতে পারছে। পর্ণাও বুঝতে পারে কিন্তু যেহেতু টাকাটা তাদের কষ্টের রোজগারের নয়, ঐজন্য অতটা মাথা ঘামায়নি। কিন্তু একটা বিষয় বেশ খারাপ লাগে তার। আর এরপর থেকেই সত্যিটা সবার সামনে আনার প্রতিজ্ঞা করে সে।
অয়ন চুরি টাকার দম্ভে অন্ধ হয়ে যায়। আর এই দম্ভ তাকে এত নিচে নামিয়ে দেয় যে, সে কোন কিছু না ভেবেই নিজের বাবার করা অপমানের প্রতিশোধ নিতে নিজের মায়ের সামনেই জীবিত বাবার শ্রাদ্ধ করার জন্য পুরোহিত ডেকে আনে। এই কান্ড দেখে অবাক হয়ে যায় পর্ণা সৃজন সহ বাড়ির প্রত্যেকে। জেঠুর এত বড় অপমান সহ্য করতে পারে না তারা।
আরো পড়ুন: ‘ইচ্ছে পুতুল’-এর মেঘের বাস্তব পরিচয় কি? কার প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী? ধারাবাহিক শেষ হতেই সামনে এলো তথ্য
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সবাই যখন পুজো দিতে ব্যস্ত তখন ছদ্মবেশে চলে এসেছে সৃজন। অন্যদিকে অনেকগুলো টাকা হাতে পেয়ে একগাদা মদ খেয়ে ফেলেছে অয়ন। নেশার ঘোরে অয়ন বলে, টিকিটটা কেটেছিল সৃজন কিন্তু টাকাটা ভোগ করছে সে। একেই বলে কপাল। এই গোটা দৃশ্যটা ফোনের রেকর্ড করে নেয় পর্ণা আর রুচিরা। রেকর্ড করতে করতে পর্ণা বলে, এইবার অয়নের সব জারিজুরি শেষ হবে।
