এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারাবাহিকটির বর্তমান প্লট অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও মনোগ্রাহীহয়ে উঠেছে দর্শকদের কাছে। তবে ধারাবাহিকের টিআরপি বরাবরই খুব একটা ভালো ফল দিতে না পারায় মাঝেমধ্যেই এই মেগার অন্তিম সম্প্রচারের রব উঠতে শোনা যায়। তবে দর্শকদের মধ্যমনি হয়ে গিয়েছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দর্শকরা প্রথমে ভেবেছিলেন নায়ক নীল এবং নায়িকা মেঘের জীবন হয়তো দুই দিকে বেঁকে গেছে বা তারা দুটো সমান্তরাল রেখায় অবস্থান করছে, যে রেখা আর কখনো মেলবার নয়। তবে সেই সমস্ত সম্ভাবনাকে মিথ্যা করে ফের কাছাকাছি আসছে মেঘ নীল। আর এই কাজে তাদেরকে সাহায্য করছে নীলের ঠাম্মি।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনুষ্ঠান শেষে মেঘ যখন মঞ্চ থেকে নামে এবং বাড়ি ফেরার পথ ধরে তখন জিষ্ণু মেঘকে বলে, “তোমার কি কিছু হয়েছে মেঘ? তোমায় আজ খুব আপসেট লাগছে।” মেঘ জিষ্ণুকে সবটা খুলে বলে। সে বলে বাড়িতে তাকে বিয়ে নিয়ে ভীষণ চাপ দিচ্ছে। দিনরাত টাকে বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তার এসব আর একেবারেই ভালো লাগছে না। এরপর দুজনে গল্প করতে করতে নিজেদের বাড়ি চলে যায়।
বাড়ি ফিরে মেঘ তার বাবাকে বলে, সে কি ভুলে গিয়েছে তার মেয়ের আজ একটা অনুষ্ঠান ছিল? অনিন্দ্য মেঘকে বলে, তার মা তাকে পাগল করে দিচ্ছে। মেঘ বুঝতে পারে, বাড়িতে বিয়ে নিয়ে আবারো কথাবার্তা চলছে। এরপর মধুমিতা ইচ্ছে করেই মেঘের সামনে এমন কিছু কথা বলে যাতে মেঘের মনের ইচ্ছাটা সে নিজেই বলতে বাধ্য হয়। মধুমিতা বলে, “বিয়ে তোমাকে করতেই হবে। নীলের সঙ্গে বিয়ে হয়ে একটা ভুল হয়ে গিয়েছিল ঠিকই তবে এবার আর সেটা হবে না। আর তুমিও নীলের কথা ভাবা বন্ধ কর। নীল একটা লম্পট দুশ্চরিত্র খারাপ মানসিকতার ছেলে। তুমি কি তোমার বাকি জীবনটা ওর কথা ভেবেই কাটিয়ে দিতে চাও?” উত্তেজনার বসে মেঘ বলে ফেলে হ্যাঁ সে তাই করবে কিন্তু অন্য কাউকে বিয়ে করবে না। মেঘ ঘর থেকে চলে যাওয়ার পর মধুমিতা অনিন্দ্যকে বলে, “এখনো তোমার মনে কোনো দ্বিধা আছে?” নির্বাক অনিন্দ্য।
অন্যদিকে নীলের বাড়িতে সবাই খুব খুশি কারণ আবার মেঘ তাদের বাড়ির বউ হয়ে আসবে। কিন্তু এই বিষয়ে চিন্তায় পড়ে যায় গিনি মিনি। কারণ তাদের মাথায় একটাই ভয়, ময়ূরী। সে যদি আবার নতুন করে মেঘ আর নীলকে আলাদা করার ব্যবস্থা নেয় তখন কী হবে? অন্যদিকে মেঘের মনটা আজ ভীষণ খারাপ তাই সে ফোন করে নীলকে। অনেকক্ষণ দুজনের মধ্যে মান অভিমানের কথা হয়। এরপর নিজ মনে মনে বলে, “আমি তো এখনো তোমাকেই ভালোবাসি, তোমার জায়গাটা আমি কাউকে দিতে পারবো না।” কিন্তু সামনাসামনি একথা বলার সাহস কারো নেই।
