জি বাংলার (Zee Bangla) প্রতিটি ধারাবাহিকই বর্তমানে জমজমাট হয়ে উঠেছে। তবে তার মধ্যে থেকেও যেই ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে দর্শকের মন জয় করছে তা হলো জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। টিআরপি তালিকাতেও কখনো নিজের জায়গা প্রতিপক্ষকে ছেড়ে দেয়নি জগদ্ধাত্রী। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে সব সময় নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। তাইতো টিআরপি তালিকাতে এক থেকে পাঁচের মধ্যে জগদ্ধাত্রীর নাম রয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, মেয়েকে এত বছর পর পেয়ে আর হারাতে পারবে না জগদ্ধাত্রী। তাই জন্য দুর্গাকে জানিয়ে দেয় স্বাধীনতা দিবসের দিন দুর্গা কিছুতেই যেন মিউজিক অনুষ্ঠানে একা একা না যায়, সেখানে বিপদ ঘটতে পারে। বারবার জানতে চাই কেন তারা ভয় পাচ্ছে তখন স্বয়ম্ভু জানায় জগদ্ধাত্রীর পুরনো কিছু শত্রু ২০ ২১ বছর পর আবার ফিরে এসেছে তার পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার জন্য। আর তারা দুর্গাকে তারা টার্গেট করবে। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসে তাকে যেতেই হবে সে কথা দিয়ে ফেলেছে।
পরের দিন সুন্দর করে স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন করা হয়। সবাই মিলে সুন্দর গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করে। কিন্তু ওই অনুষ্ঠানের মাঝে উপস্থিত ছিল সঞ্জিত ব্যানার্জি এবং তার গুন্ডারা। প্রথম দিকে সব ঠিকঠাকই ছিল সুন্দরভাবে গানের অনুষ্ঠান শুরু হলো সকলেই সুন্দরভাবে গান করল এরপর মঞ্চে উঠলো ধনধান্যে পুষ্পে ভরা গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে দিল। এসবের গান গাওয়া হয়ে গেলে দুর্গা মঞ্চে ওঠে আর এসব কে মনের কথা জানানোর জন্য আর মঞ্চে উঠেই দুর্গা হঠাৎ লক্ষ্য করে তার মায়ের দিকে বন্দুক তাক করে দাঁড়িয়ে রয়েছে কোন এক অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তি।
সুযোগ বুঝে জগদ্ধাত্রীর উপর টার্গেট করা হয়। কিন্তু গুলি চালানোর আগেই দুর্গা তার মাকে রক্ষা করে। মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে মাকে। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে এক হইচই কান্ড শুরু হয়ে যায়। হঠাৎ করে এভাবে গুলি চলার কারণে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও ভেস্তে যায়। স্বয়ম্ভু সবকিছু সামলে নেয়, চারিদিক ঘিরে ফেলতে বলা হয়। সঞ্জিত ব্যানার্জি সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায়। এদিকে দুর্গা মা-বাবার সাথে ঋষভ এর আলাপ করাবে বলে ঋষভকে ডাকতে যায় কিন্ত সেখানে আর খুঁজে পায় না।
অন্যদিকে বাড়িতে সকলেই চিন্তা করছে জগদ্ধাত্রীর খবর পেয়ে। জেঠিমা ফোন করে জগদ্ধাত্রীকে তাড়াতাড়ি বাড়ি আসতে বলে। কিন্তু জগদ্ধাত্রী দুর্গাকে ডিপার্টমেন্টে নিয়ে যায়। সঞ্জিত ব্যানার্জিকে দেখেছে কিনা সেসব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। কিন্তু দুর্গা শুধু দেখতে পেয়েছিল তার মাকে টার্গেট করা হয়েছিল তাই কিভাবে মাকে বাঁচাবে সেই চিন্তা ঘিরে ধরেছিল তাকে। দুর্গা ওই লোকটিকে যতটুকু দেখেছে তার বর্ণনা দিতে থাকে। এরপর গোটা ডিপার্টমেন্ট লেগে পড়ে সঞ্জিত ব্যানার্জিকে খুঁজতে। এদিকে সঞ্জিত ব্যানার্জি নিজে জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে হুমকি দেয়। জানায় তাকে কিছুতেই খুঁজে বার করতে পারবেনা জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রীও চ্যালেঞ্জ করে সঞ্জিত ব্যানার্জিকে ওপর নজর রাখছে একজন, খুব তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে সে।
