বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি এখন যেন টানটান উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। টিআরপি তালিকায় প্রতি সপ্তাহেই বাজিমাত করছে এই সিরিয়াল। গল্পের মোড় ঘুরছে এমনভাবে যে দর্শকরা একটিও এপিসোড মিস করতে চাইছেন না।
শেষ কয়েকটি পর্বে দেখা গিয়েছে, ধানুকে নিয়ে বড় চক্রান্ত হয়েছিল। তাকে কিডন্যাপ করে পাহাড়পুরের পতিতালয়ে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে রোহিত নিজের প্রাণ বাজি রেখে ধানুকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। ধানুকে দেখে আদিত্যর চোখে জল আসে, তবে সে স্পষ্ট জানায়, পরিস্থিতি যেমনই হোক, সে কখনোই ধানুকে ঘৃণা করবে না। বরং তার প্রতি ভালোবাসাই থাকবে অবিচল। ধানুও স্বামীর এই কথা শুনে স্বস্তি পায়।

এদিকে ফুলকি তখন আরও বড় খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিজের বাড়িতেই মন্ত্রীকে আটকে রেখে তার স্বীকারোক্তির ভিডিও বানায়, যাতে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। ফোনে বাবাকে জানিয়ে দেয়, ঠিক সময়ে গাড়ি করে কলকাতার মাঝরাস্তায় নামিয়ে দিয়ে আসতে হবে মন্ত্রীকে। ফুলকি সাবধানও করে দেয়, যদি মন্ত্রী বাড়াবাড়ি করে তবে ভিডিও ভাইরাল করে দেবে সে।
পরের দিন ফুলকি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে ফের মুখোমুখি হয় ছোট রাজকুমারের। তার সাথেই ছদ্মবেশে ছিল রুদ্র। কিন্তু বারবার ফুলকির কাছে হেরে যাওয়া রুদ্রকে অস্থির করে তুলছে। ফুলকি তখন সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, দলের সমস্ত অন্যায় কাজ একে একে ফাঁস করবে সে, আর যে বন্ধুর মুখোশ পরে শত্রু ঘুরে বেড়াচ্ছে তাকেও খুব শিগগির খুঁজে বার করবে।
আরও পড়ুনঃ মেয়ের সামনেই গুলিবিদ্ধ মা! স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শত্রুর গুলিতে আহত হলো জগদ্ধাত্রী!
সেই সময়ই ইন্দ্র আর অভিরূপের চোখাচোখি দেখে ফেলেন রোহিত। সন্দেহ আরও প্রবল হয় যে অভিরূপই আসল দোষী। ফুলকিও জানায়, শিগগিরই শত্রুর মুখোশ খোলা হবে। এখন দর্শকের কৌতূহল—অভিরূপের আসল চেহারা প্রকাশ্যে এলে ফুলকির লড়াই কোন নতুন পথে যাবে? এই উত্তর মিলবে আগামী কয়েকটি পর্বে।
