জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’ প্রতিদিনই দর্শকদের মন কেড়ে নিচ্ছে। রাত আটটা বাজলেই টিভির সামনে বসে পড়েন দর্শকরা। গল্পের মোড় এতটাই টানটান যে একটিও এপিসোড মিস করতে চান না কেউ। আর এবারের ট্র্যাক তো দর্শকদের চোখে জল এনে দিয়েছে। দাদুর জীবন-মরণ লড়াই আর তার মধ্যেই পারুল আর রায়ানের বিয়ে—সব মিলিয়ে একেবারে নাটকীয় মুহূর্ত।
গতকালের এপিসোডে দেখা গেল, নার্সিংহোমে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় দাদুর অপারেশন বন্ধ হওয়ার জোগাড়। সেই সময় নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে পারুল গাড়ির ব্যাটারি জোগাড় করে বিদ্যুৎ ফেরত আনে। তার এই উদ্যোগে দাদুর অপারেশন আবার শুরু হয়। ডাক্তাররা জানায়, অপারেশন সফল হয়েছে। সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও মুহূর্তেই পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নেয়। অপারেশন সফল হলেও দাদুর অবস্থা ক্রমশ অবনতি হতে থাকে।
এই সময় পরিবারের সবাই ভেঙে পড়ে। রায়ানের ঠাকুমা আবেগ সামলাতে না পেরে কেবিনে ঢুকে পড়েন। ডাক্তার বলেন, অনেক সময় রোগীকে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের আবেগই বড় ভূমিকা নেয়। তাই দাদুর সামনে এমন কিছু কথা বলতে হবে যা শুনে তিনি আবেগে জেগে উঠবেন। পরিবারের সবাই তখন চেষ্টা শুরু করে দাদুকে সচল করার।
ঠিক তখনই মল্লার দাদুর কানে গিয়ে বলে, পারুল আর রায়ানের সব ভুল বোঝাবুঝি মিটে গেছে, তারা আবার একে অপরকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। যদিও বাস্তবে দুজনেই এই বিয়ে চায় না, কিন্তু দাদুর প্রাণ বাঁচাতে তারা সিদ্ধান্ত নেয়। ডাক্তারও বলেন, দরকার হলে কেবিনেই তাদের বিয়ে দিতে হবে। দাদুর মুখে হাসি ফেরানোর জন্যই পারুল আর রায়ান শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেয়।
আরও পড়ুনঃ শত্রুকে বিনাশ করতে গিয়ে নিজের মেয়েকে মৃ’ত্যুর মুখে ঠেলে দিল জগদ্ধাত্রী!
তারপরেই হাসপাতালের কেবিনেই আয়োজন হয় বিয়ের। সব নিয়ম মেনে আবারো রায়ান পারুলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। পরিবারের সবাই চোখ ভিজিয়ে সেই দৃশ্য দেখে। দাদুও ধীরে ধীরে সাড়া দিতে শুরু করেন। এত কিছুর পরেও একটাই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—দাদু কি পুরোপুরি সুস্থ হবেন? আর এই বিয়ের পর পারুল আর রায়ানের জীবনে নতুন কোন অধ্যায় শুরু হবে? সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
