জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা-তে এবার গল্পে বড় মোড় এসেছে। পারুলকে নিজের ভবিষ্যৎ ভুলে জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তুর্যকে থামাতে গিয়ে সে এমন এক কাজ করে ফেলেছে, যা সবকিছু ওলটপালট করে দিতে পারে।
গত পর্বে দেখা যায়, মোল্লার রায়ান বাড়িতে ফিরে সবাইকে জানায় তুর্যর ভয়ংকর দিক। কিন্তু তুর্য তখনও পুলিশের হাতে ধরা পড়েনি। দাদু মনে করেন কিছুদিন হয়তো শান্ত থাকবে সে, তাই গয়নার দোকানে বেরিয়ে যান। এদিকে তুর্য পুলিশের হাত এড়িয়ে নতুন আস্তানা গড়ার পরিকল্পনা করছে এবং বসু পরিবারকে শেষ করার শপথ নিয়েছে।
রায়ান পড়াশোনা করছিল, এমন সময় একটি বই খুঁজতে গিয়ে তার পাতায় পরিচিত একটি ছবি দেখে চমকে ওঠে। মনে পড়ে, তপন জানার বাড়িতে ছবিটি দেখেছিল, গলায় মালা পরানো অবস্থায়। পারুল এসে ছবিটি দেখে সেও বুঝতে পারে, আসল শত্রু তুর্য, আর প্রথম টার্গেট দাদু।
সময় নষ্ট না করে রায়ান ও পারুল দাদুকে বাঁচাতে ছুটে যায়। ঠিক তখনই মাঝরাস্তায় তুর্য দাদুর গাড়ি থামিয়ে বন্দুক তাক করে জানায়, সে তপন জানার নাতি এবং প্রতিশোধ নিতে এসেছে। দাদু তাকে বলেন, শত্রুতা থাকলে তাকেই মারুক, কিন্তু পরিবারকে ক্ষতি না করুক।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির তীক্ষ্ণ প্রশ্নে কুপোকাত মন্ত্রী! স্বাধীনতা দিবসে মুখোশ খুলল মিথ্যের
তুর্য গুলি চালানোর আগেই পারুল ভারী কিছু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তুর্যের। এবার দেখার বিষয়, তুর্যকে খুন করার এই ঘটনা পারুলের জীবনে কী পরিণতি নিয়ে আসে। আগামী পর্বে মিলবে তার উত্তর।
