জি বাংলার (Zee Bangla) বহু পুরনো ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলে জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। ব্লুজ প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে এই ধারাবাহিক দীর্ঘ তিন বছর ধরে জি বাংলার পর্দায় সহ গৌরবে চলছে। শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা কখনোই কমেনি, বরং যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরও বাড়ছে। ধারাবাহিকে প্রতিদিনই দর্শকদের জন্য থাকছে নতুন নতুন চমক।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, জগদ্ধাত্রীর ঘর থেকে ভেসে আসে উর্মিলা মুখার্জির গানের আওয়াজ। এই উর্মিলা মুখার্জি হলেন স্বয়ম্ভুর জন্মদাত্রী মা এবং রাজনাথ মুখার্জির প্রথম স্ত্রী। বৈদেহির ষড়যন্ত্রেই তাকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। তাই এই উর্মিলা মুখার্জির কোন অস্তিত্ব বৈদেহি বাড়িতে রাখে না। কিন্তু হঠাৎ এত বছর পর তার গান এই বাড়িতে বাজছে শুনে সে জগদ্ধাত্রীদের ঘরে এসে উপস্থিত হয়। সেখানে গিয়ে ওই গান বন্ধ করার জন্য ছুঁড়ে ফেলে দিতে থাকে সবকিছু।

দুর্গা সে সময় বাধা দিয়ে জানায় এবার থেকে উর্মিলা মুখার্জির গান তারা শহরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দেবে। তাকে নিয়ে ম্যাগাজিন বের হবে। বৈদেহি বারবার বারণ করা সত্ত্বেও দুর্গা কোন কথা শোনে না। দুর্গা সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়ে নিয়েছে উর্মিলা মুখার্জিকে নিয়ে ম্যাগাজিন বের করবে তাকে নিয়ে অনুষ্ঠান হবে। তার গানকে প্রচার করা হবে দুর্গা সে কাজ করবে। এদিকে বৈদেহি সঙ্গে সঙ্গে রাজনাথের সাথে কথা বলতে চলে যায়। আর মেহেন্দি এবং উৎসব জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুকে বোঝাতে থাকে দুর্গাকে এই কাজ করা থেকে আটকানোর জন্য। কারণ তারা সবকিছু মেনে নিয়েছে উর্মিলা মুখার্জিকে পাবলিকের সামনে আনা তারা কিছুতেই মেনে নেবে না। এই প্রোগ্রাম তারা ভেস্তে ছাড়বে।
রাজনাথের কাছে গিয়ে বৈদেহি বারবার উর্মিলা মুখার্জিকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে না করে। উর্মিলা মুখার্জি জন্য তাদের সম্পর্ক এখনো স্বাভাবিক হয়নি, উর্মিলা মুখার্জি মরে গিয়েও তাদের মাঝখানে বেঁচে আছে। তার অস্তিত্ব পুরোপুরি মুছে যায়নি। বৈদেহি পারেনি মুছে ফেলতে। আর সেখানে একজন মৃত মানুষকে নিয়ে এত বাড়াবাড়ি করছে রাজনাথ সেটা পছন্দ হচ্ছে না তার। কিন্তু রাজনাথ তো জানিয়ে দেয় দুর্গা যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে এই কাজ করবে। রাজনাথকে বারবার অনুরোধ করে বৈদেহি আটকাতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ সত্যের জয়, ষড়যন্ত্রের পতন! ব্রাইট মাইন্ডস-এর স্টেজে শিরিনের ষড়যন্ত্র ফাঁস করল পারুল
এরপর দুর্গা এসে বৈদেহিকে বলে তার হিংসা করার কোনো কারণ নেই। একজন মৃত মানুষ, শুধুমাত্র তার প্রাপ্য সম্মানটুকু তাকে দেওয়া হচ্ছে বৈদেহির জায়গা কেউ কেড়ে নিচ্ছে না। আর দুর্গা যখন একবার এই অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখন কেউ তাকে আটকাতে পারবে না তার সাথে কৌশিকী আছে। কিন্তু উর্মিলা মুখার্জিকে একেবারে পছন্দ করে না বৈদেহি। উর্মিলা মুখার্জি স্বয়ম্ভুর মা, তাকে জন্ম দেওয়ার পরই তার মৃত্যু হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও বৈদেহি কেন এরকম অস্বাভাবিক আচরণ করছে। বৈদেহি মনে মনে ঠিক করে নেয় সে যখন একবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই অনুষ্ঠানে বাধা হয়ে দাঁড়াবেই সে। এদিকে জগদ্ধাত্রী খুঁজে পায় তার খুনিকে। ডিপার্টমেন্টে বসিয়ে জেরা করতে থাকে সমানে, দুর্গা নাকি জগদ্ধাত্রী ওই দিন প্রেসের মাঝে কাকে টার্গেট করা হয়েছিল। সে কথা বাবন গুন্ডার মুখ থেকে বের করতে চায় সে।
