জি বাংলার পরিণীতা এখন জমজমাট। পারুল আর রায়ানের খুনসুটি, আর তার ফাঁকে শিরিনের ষড়যন্ত্র—সব মিলিয়ে একদম থ্রিলার ফিল দিচ্ছে এই ধারাবাহিক। ঈশানি চ্যাটার্জি আর উদয় প্রতাপ সিংয়ের কেমিস্ট্রি যে জমে উঠেছে, তা বলাই বাহুল্য।
গতকালের পর্বটা যেন একেবারে টানটান উত্তেজনায় ভরপুর ছিল! গানের প্রতিযোগিতায় পারুল যখন নিজের দ্বিতীয় গান গাইতে শুরু করে, তখনই কাগজ থেকে আস্তে আস্তে লেখা গায়েব হতে থাকে। কেউ বুঝতেই পারে না কী হচ্ছে। দর্শকেরাও চমকে যায়। পরে জানা যায়, শিরিনের ম্যাজিক ইঙ্ক ব্যবহার করেই এই কাণ্ড। বিচারকরা কিছু না বুঝে রায়ানকে বিজয়ী ঘোষণা করে দেন।

পারুল তখন রীতিমতো প্রতিবাদ করে। জানায়, এই সবকিছুই একটা ষড়যন্ত্র। কিন্তু কেউ তো তার কথা শুনতেই চায় না। শেষে নিরুপায় হয়ে হার মেনে নেয় সে। শিরিন তখন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে রায়ানের কানে ফিসফিসিয়ে বলে, পারুল নিজেই নাকি ইচ্ছে করে হেরে গেছে, যাতে রায়ান জেতে। এমনকি রায়ানকে একটা কার্বন কপি পর্যন্ত দেখায় প্রমাণ হিসেবে।
রায়ান বুঝতেই পারে না কী ঠিক আর কী ভুল। তার সন্দেহটা আরও গাঢ় হয়ে যায়। পারুল অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে, কিন্তু লাভ হয় না। রায়ান রেগে বাড়ি ফিরে যায়। এদিকে রায়ানের মা কিন্তু একটু একটু করে সবটা আঁচ করতে শুরু করেছে। তার মনে সন্দেহ হয় শিরিনের উপর। তাই চুপিসারে গিয়ে শিরিনের সঙ্গে কথা বলে। আর সেখানেই শিরিন স্বীকার করে ফেলে, সে-ই পারুল-রায়ানের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করেছে।
আরও পড়ুনঃ রাজনীতির আঙিনায় এবার ‘ফুলকি’র হাতেখড়ি! ছোট রানীর পতনের পর এমএলএ রূপে উত্থান রাজকুমারীর!
কিন্তু এরপরেই পুরো গল্প এক ধাক্কায় ঘুরে যায়! শিরিন যখন একা হাঁটতে বেরোয়, হঠাৎ করে কিছু লোক তাকে চোখ-মুখ বেঁধে তুলে নেয় গাড়িতে। ভয়ে শিরিনের অবস্থা কাহিল। আর গাড়িতে চোখ খুলতেই সে দেখে—সামনে বসে পারুল! হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, পুরো অপহরণটা ছিল পারুলের মাস্টারপ্ল্যান! এবার শিরিনকে ভয় দেখিয়ে তার মুখ থেকে সব সত্যি বের করবে পারুল। পরের পর্বে কী হয়, সেটা দেখার জন্য এখন থেকেই উৎসুক হয়ে উঠেছে দর্শক। পারুল কি পারবে প্রমাণ করতে, যে ও-ই ব্রাইট মাইন্ডস-এর সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন?
