জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি এখন জমে উঠেছে একদম পিকে! টানটান উত্তেজনা, আবেগ আর চমকে ভরপুর প্রতিটা পর্ব যেন দর্শকদের চোখের পলক ফেলতেও দিচ্ছে না। আর এই মুহূর্তে যা কাহিনি মোড় নিয়েছে, তা একেবারে সিনেমাকেও হার মানায়!
শেষ ক’টা পর্বে আমরা দেখেছি, বড় রাজার অ্যাক্সিডেন্টের খবর শুনেই ফুলকি ছুটে গিয়েছিল হাসপাতালে। রোহিত আগে থেকেই সেখানে ছিল। ডাক্তার জানায়, মাথায় মারাত্মক চোট পেয়েছেন বড় রাজা। এমনকি কোমায়ও চলে যেতে পারেন! ফুলকির চিন্তার আর শেষ নেই—বাবা জ্ঞান না পেলে তো ছোট রাণীর শাস্তির রাস্তাও বন্ধ। তাই ভেঙে পড়ে সে।

কিন্তু তখনই ঘটে এক অলৌকিক ঘটনা—ফুলকির চোখের জলের ছোঁয়া যেন ফিরিয়ে আনে বাবার জ্ঞান! চোখ খুলতেই বড় রাজার মনে পড়ে যায় ২৪ বছর আগের সেই ভয়ানক অ্যাক্সিডেন্টের কথা। এক লরি ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছিল তাঁর গাড়ি, আর সেই ঘটনাই ছিল সব সমস্যার শুরুও!
অন্যদিকে, রোহিত ও বড় রাজার অ্যাক্সিডেন্টে সন্দেহ করতে শুরু করে অংশু। তার মতে, এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং প্ল্যান করে করানো হয়েছে! তদন্তও শুরু করে সে।
পরের দিন আদালতে হাজির হয় ফুলকি, রোহিত, আর চমকপ্রদভাবে বড় রাজাও। তাঁকে দেখে হতভম্ব হয়ে যায় ছোট রাণী—যে ভেবেছিল, অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে বড় রাজাকে চিরতরে সরিয়ে দেবে! কিন্তু সে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।
আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বড় রাজা ফাঁস করেন সেই বহু পুরনো সত্য—ছোট রাণীই তাঁর সন্তানকে সরিয়ে দিয়েছিল! যদিও ছোট রাণীর উকিল দাবি তোলে, এসব কথা শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে, এত বছর আগের কথা কেউ মনে রাখতে পারে?
আরও পড়ুনঃ মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে খু’নের চেষ্টা করা হলো স্বয়ম্ভুকে! সঠিক সময়ে পৌঁছে স্বামীকে রক্ষা করল জগদ্ধাত্রী!
তখনই ফুলকি এগিয়ে এসে নিজেই কাঠগড়ায় দাঁড়ায়। জানায়, বড় রাজার সন্তানের অপহরণ, বিশ্বস্ত কর্মচারীর খুন—এই সবকিছু এত সহজে ভুলে যাওয়া সম্ভব না। ওসব দিনের কথা মানুষের হৃদয়ে চিরকাল গেঁথে থাকে।
সব শুনে বিচারক অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত নেন—ছোট রাণীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! এতদিনের যুদ্ধ শেষে অবশেষে জয় ফুলকির। আর স্টেটের দায়িত্ব এবার তার কাঁধে।
এখন তো শুধু একটা প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে—এরপর কী হবে? আগামী পর্বে কোন নতুন চমক অপেক্ষা করছে ফুলকির জীবনে? দেখা যাক কীভাবে গল্প মোড় নেয় এবার!
