জি বাংলার পরিণীতা ধারাবাহিকের টানটান উত্তেজনা এখন একেবারে তুঙ্গে! প্রতিদিনই যেন এক একটা নতুন চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে ধারাবাহিকটি। আর গতকালের এপিসোড তো যেন একেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড!
‘ব্রাইট মাইন্ডস’ কম্পিটিশনের ফাইনাল রাউন্ড—পারুলের স্বপ্ন, তার সম্মান, সব কিছুই জড়িয়ে ছিল এই মঞ্চে। পারুল ঠিক করে রেখেছিল, সে এই কম্পিটিশন জিতবেই। কারণ এই জয় শুধু তার নয়, রায়ানের হাতেও সেই পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়ার ছিল তার অঙ্গীকার।

কিন্তু কে জানত, শিরিন একেবারে ওত পেতে বসে আছে তাকে ফাঁসানোর জন্য! আড়াল থেকে পারুলের সব কথা শুনে ফেলে শিরিন। আর তখনই সে ঠিক করে ফেলে পারুলকে হারাতেই হবে।
শিরিন যা করল, তা এক কথায় শয়তানি ছাড়া কিছু নয়! ফাঁকে ফাঁকে কম্পিটিশনের রুমে ঢুকে পড়ে সে। অজুহাত দেয় নিজের ব্যাগ খোঁজার, কিন্তু আসলে? পারুলের লেখার কাগজের নিচে কার্বন পেপার রেখে দেয়, আর তার পেন বদলে দেয় ম্যাজিক ইঙ্কের পেনে! মানে গান লেখার পর যতই চেষ্টা করুক, ধীরে ধীরে সব লেখা উধাও হয়ে যাবে!
কম্পিটিশন শুরু হয়। পারুল প্রথম গানটা ভালোই গায়। কিন্তু যখন সে দ্বিতীয় গানটা গাইতে যায়, তখনই শুরু হয় বিপদ। কাগজের লেখা গায়েব! পারুল হঠাৎ থেমে যায়। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ম্যাজিক ইঙ্ক তার কাজ শুরু করে দিয়েছে। পারুল যতই চেষ্টা করুক, গানের লাইন কিছুতেই মনে পড়ে না। আর এই সুযোগে রায়ান হয়ে যায় বিজয়ী।
আড়ো পড়ুনঃ ২৪ বছরের পুরনো রহস্য ফাঁস! আদালতে ফুলকির বজ্রকণ্ঠ, যাবজ্জীবন সাজা ছোট রাণীর!
শিরিন এখানেই থামে না। সে রায়ানকে বোঝায়, পারুল ইচ্ছে করেই হেরেছে—তাকে জেতানোর জন্য! এমনকি ‘প্রমাণ’ও দেখায়, সেই কার্বন কপি। এদিকে পারুল পুরো হতবাক! কীভাবে এটা ঘটল, কিছুই বুঝতে পারে না। তবে হাল ছাড়ার পাত্রী সে নয়। সবার সামনে বলে দেয়—এই জয় ঠিক নয়, আসল চ্যাম্পিয়ন সে-ই। সে ঠিক প্রমাণ করে ছাড়বে সত্যি কে জিতেছে।
এবার অপেক্ষা, আগামী এপিসোডে কী করে পারুল এই ষড়যন্ত্রের মুখোশ খুলবে! শিরিনের চক্রান্ত কি ফাঁস হবে? নাকি পারুলের পথে আসবে আরও বিপদ? দর্শকেরা এখন একটাই কথা বলছেন—“একটাও এপিসোড মিস করা যাবে না!”
