Bangla Serial

জগদ্ধাত্রী খু’নের মামলায় মোক্ষম প্রমাণ হাতে পেল দুর্গা! আশ্রমে এসে জগদ্ধাত্রীর সামনে মাথা নত করলো স্বয়ম্ভু!

জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। দীর্ঘ তিন বছরের কাছাকাছি ধারাবাহিকটি চলছে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)। ধারাবাহিকটি শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত একইভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। টিআরপি তালিকায় একসময় টানা কয়েক সপ্তাহ প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছিল তবে বর্তমানে প্রথম স্থান দখল করতে না পারলেও সব সময় এক থেকে তিনের মধ্যে টিআরপি তালিকায় থাকে জগদ্ধাত্রীর নাম। ধারাবাহিকের জগদ্ধাত্রী চরিত্রটা দর্শক এতটাই ভালোবাসেন যে কোনদিনও ধারাবাহিকের একটি পর্ব মিস করেন না।

ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, লিলিপুট এর লোকজন সব সময় নজর রাখছে জগদ্ধাত্রী এবং তার পরিবারের লোকজনদের উপরে। লিলিপুট খবর পেয়েছে রাজনাথ প্রতিদিনই একটি আশ্রমে যাচ্ছ। আশ্রমে কে আছে, কার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে রাজনাথ সেটাই হচ্ছে রহস্য। তার সঙ্গে আশ্রমে গুন্ডা নিয়ে হাজির হয় দিব্যা। সেখানে গায়ের জোরে ঢুকে পড়ে তারা। অনেক করে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও আটকানো যায় না।

জোর করে আশ্রমের ঘরে ঢুকে পড়ে লিলিপুট আর দিব্যা সেন। সেখানে জগদ্ধাত্রীকে দেখে অবাক হয়ে যায় তারা। জগদ্ধাত্রী অসুস্থ অবস্থায় হুইল চেয়ারে বসে আছে। তাকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে সে অসুস্থ। লিলিপুট এর দেওয়া খবর একেবারে সত্যি। এরপর জগদ্ধাত্রী যে সত্যি হুইল চেয়ারে বসে আছে সেটা প্রমাণ করার জন্য তাকে হুইল চেয়ার থেকে টেনে তোলে দিব্যা সেন এবং লিলিপুট। তারপরে লিলিপুট দা নিয়ে আক্রমণ করতে আসে জগদ্ধাত্রীর উপরে। কিন্তু সকলকে অবাক করে আত্মরক্ষার খাতিরে জগদ্ধাত্রী উঠে দাঁড়ায় এবং লিলিপুট আর দিব্যা সেনকে কষিয়ে থাপ্পড় মারে।

জগদ্ধাত্রী দিব্যা সেনকে সাবধান করে দেয় কোর্টে গিয়ে সে প্রমাণ করে দেবে। দিব্যা সেন যে আসল খুনি সেইসবের প্রমাণ আছে জগদ্ধাত্রীর কাছে। দিব্যা সেন বারবার জগদ্ধাত্রীকে খুন করার চেষ্টা করেছে সেই প্রমাণ দেবে কোর্টে। আশ্রমে জগদ্ধাত্রী, স্বয়ম্ভু, রাজনাথ আশ্রমের বাচ্চাদের সাহায্য করতে আসে সে কথাও জানিয়ে দেয় দিব্যা সেনকে। তারপর দিব্যা এবং লিলিপুট দুজনকেই ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় আশ্রম থেকে। দিব্যা তো অপমানিত হয়ে লিলিপুটকে থাপ্পড় মেরে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। আসলে দুর্গাই এই বিপদের আঁচ পেয়ে সেখানে জগদ্ধাত্রী সেজে বসেছিল।

আরও পড়ুনঃ ভাঙা পা নিয়ে প্রতিযোগিতায় শামিল পারুল! নায়িকাকে জব্দ করতে গিয়ে পাকে পড়লো শিরিন!

এরপরে দিব্যা সরাসরি ফোন করে মেহেন্দিকে। মেহেন্দিকে ফোন করে জানায় জগদ্ধাত্রী একেবারে সুস্থ। সে আশ্রমে এসে একেবারে বোকা হয়ে গিয়েছে। জ্যস সান্যাল রূপে দিব্যা কে অপমান করেছে জগদ্ধাত্রী। এইসব কথা শুনে অবাক হয়ে যায় মেহেন্দি। এরপর দিব্যা জানায় এখন একমাত্র মেহেন্দি পারবে জগদ্ধাত্রীকে সরিয়ে দিতে। জগদ্ধাত্রীকে যদি না সরানো হয় তাহলে তারা সকলে ফেঁসে যাবে। দিব্যাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। আর দিব্যা ফাঁসলে মেহেন্দি, বৈদেহি সবাইকে নিয়ে ফাঁসবে। প্রথমে তো মেহেন্দি রাজি হতে চায়নি। সে আর কোন ঝামেলার মধ্যে নিজেকে জড়াতে চায় না। কিন্তু পরে দিব্যার ভয়ে রাজি হয়ে যায়। এদিকে বাড়ি ফিরে আসে দুর্গা। সাথে করে নিয়ে আসে উৎসবকে। উৎসবকে জেল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে দুর্গা। নিজের কথা রেখেছে সে। আর অন্যদিকে স্বয়ম্ভু আশ্রমে গিয়ে জগদ্ধাত্রীর কাছে আবারো কাতর মিনতি করতে থাকে। জগদ্ধাত্রীকে কথা বলতে বলে, সুস্থ হয়ে উঠতে বলে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন