জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ (Phulki) টিআরপি তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্বেই দর্শক পাচ্ছেন উত্তেজনায় ভরপুর কাহিনি। রাজমহলের উত্তরাধিকার নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে বড় সত্য—ফুলকি ও তার বাবা শ্যামাচরণই আসল রাজপরিবারের উত্তরসূরি। তবে ছোট রাণীর ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি। সিংহাসন দখলের লড়াইয়ে এবার আরও ভয়ঙ্কর পথে হাঁটছে সে।
সম্প্রতি দেখানো হয়েছে, নৃসিংহ দেবের পুজোর সময় এক রহস্যময় সাধক বড় রাজাকে ‘শ্মশানচারি’ বলে অপবাদ দেন। তার দাবি, এর জেরে মন্দির অপবিত্র হয়েছে এবং রাজ্যের উপর নেমে আসবে মৃত্যু ও ধ্বংসের অভিশাপ। এই কথা শুনে রাজপ্রাসাদে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। ছোট রাণী এই ভয়কে আরও উস্কে দেয়। তবে গুরুদেব জানান, এক বিশেষ পুজোর মাধ্যমে নৃসিংহ দেবকে সন্তুষ্ট করলে রাজ্য রক্ষা পাবে।
ফুলকির মনে সন্দেহ হয়, এই ঘটনাগুলোর পেছনে ছোট রাণীর কোনও কৌশল আছে। এরপর যখন গুরুদেব পুজোর সামগ্রী আনতে আশ্রমে ফিরছিলেন, তখন জঙ্গলে তাকে আক্রমণ করা হয়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সিংহের গর্জনে ঘুম ভেঙে যায় ফুলকির। সে রোহিতকে সব জানালেও, রোহিত তার আশঙ্কাকে গুরুত্ব দিতে চায় না। পরদিন সকালে জানা যায়, গুরুদেবের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের অনুমান, কোনও হিংস্র জন্তুর আক্রমণেই এই ঘটনা। তবে সবাই আশ্চর্য—রাজার জঙ্গলে হঠাৎ এই ধরনের জন্তু এল কোথা থেকে?
এই ঘটনার মাঝেই ছোট রাণী আবারও ভয় ছড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু ফুলকি দৃঢ়ভাবে জানায়—নৃসিংহ দেব কখনও নিজের রাজ্যবাসীর ক্ষতি চান না। সে বুঝতে পারে, এ ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং বড় কোনও চক্রান্তের অংশ। আরও একটি মৃত্যুর খবর আসতেই নিশ্চিত হয়—ছোট রাণী একের পর এক ষড়যন্ত্র করে ফুলকি ও বড় রাজাকে রাজ্য থেকে সরাতে চাইছে।
তবে এবার ফুলকিও পাল্টা প্রতিজ্ঞা করেছে—সে এবং তার বাবা শ্যামাচরণ কোনও ষড়যন্ত্র বা অপবাদকে মাথা নত করবে না। সত্য উদ্ঘাটন করেই প্রমাণ করবে কারা প্রকৃত উত্তরাধিকারী এবং কারা রাজ্যের শত্রু।
আরও পড়ুনঃ জগদ্ধাত্রী খু’নের মামলায় মোক্ষম প্রমাণ হাতে পেল দুর্গা! আশ্রমে এসে জগদ্ধাত্রীর সামনে মাথা নত করলো স্বয়ম্ভু!
চলতি কাহিনির মোড়ে আরও রোমাঞ্চকর পর্বের ইঙ্গিত মিলেছে। আগামীর পর্বে কীভাবে ফুলকি এই রহস্যের জাল ভাঙবে, তা দেখার অপেক্ষায় দর্শক।
